২/৯. অধ্যায়ঃ
নফল সালাত-এর বিবরণ - বিতর সালাতে যা পড়তে হয়
বিতর নামাজে ইখলাস, ফালাক ও নাস সূরা পাঠের বর্ণনা
বুলুগুল মারাম : ৩৮৫
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৩৮৫
وَلِأَبِي دَاوُدَ, وَالتِّرْمِذِيِّ نَحْوُهُ عَنْ عَائِشَةَ وَفِيهِ: كُلَّ سُورَةٍ فِي رَكْعَةٍ, وَفِي الْأَخِيرَةِ: (قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ)، وَالْمُعَوِّذَتَيْنِ
আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তাতে আছে, প্রত্যেক রাক’আতে ১টি করে সূরা পাঠ করতেন। অবশেষে সূরা “কুল হু ওয়াল্লাহু আহাদ” ও মু’আব্বিযাতাইন বা সূরা “ফালাক্ব” ও “নাস” পাঠ করতেন। [৪২৬]
[৪২৬] আবূ দাউদ ১৪২৩, ইবনু মাজাহ ১১৭৩, তিরমিযী ৪৬৩
বুলুগুল মারাম হাদিস ৩৮৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, প্রত্যেক রাকআতে একটি করে সূরা পাঠ করা হতো। শেষ রাকআতে কুল হু ওয়াল্লাহু আহাদ এবং মু‘আব্বিযাতাইন, অর্থাৎ সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠের কথা এসেছে। যারা বিতর নামাজের সূরা নিয়ে জানতে চান, তাদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনা। এখানে মূল শিক্ষা হলো, বিতর সালাতে কিরাআত মনোযোগ দিয়ে করা এবং শেষ রাকআতে বিশেষ সূরাগুলো পাঠের বর্ণনা জানা। তবে এ থেকে এমন বলা যাবে না যে, অন্য কোনো সূরা পড়লে সালাত হবে না; কারণ এই হাদিসে শুধু নবীজির পাঠের একটি বর্ণনা এসেছে। তাই আমলে সহজতা রেখে বর্ণিত সুন্নাহর প্রতি ভালোবাসা রাখা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিতর সালাতে প্রত্যেক রাকআতে সূরা পাঠের কথা এসেছে।
- শেষ রাকআতে ইখলাস, ফালাক ও নাস পাঠের বর্ণনা পাওয়া যায়।
- সুন্নাহ জানতে হলে হাদিসের শব্দের প্রতি সতর্ক থাকা দরকার।
