২/৯. অধ্যায়ঃ
নফল সালাত-এর বিবরণ - বিতর সালাতে যা পড়তে হয়
বিতর সালাতে কোন সূরা পড়তেন নবীজি
বুলুগুল মারাম : ৩৮৪
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৩৮৪
وَعَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يُوتِرُ بِـ (سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى)، وَ (قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ)، وَ (قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ). رَوَاهُ [ص: 113] أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ.وَزَادَ: وَلَا يُسَلِّمُ إِلَّا فِي آخِرِهِنَّ
উবাই বিন কা’ব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিতর সালাতে– “সাব্বি হিসমা রাব্বিকাল আ’লা” ও “ক্বুল ইয়া-আইয়্যুহাল কাফিরূন” এবং “ক্বুল হু ওয়াল্লাহু আহাদ্” (সূরা তিনটি পাঠ করতেন)। নাসায়ী “কেবল শেষ রাক’আতেই সালাম ফিরাতেন” এ কথাটি বৃদ্ধি করেছেন। [৪২৫]
[৪২৫] আবূ দাঊদ ১৪২৩, নাসায়ী ১৭২৯, ১৭৩০, ইবনু মাজাহ ১১৭১।
বুলুগুল মারাম হাদিস ৩৮৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বিতর সালাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোন সূরা পাঠ করতেন তা বলা হয়েছে। তিনি সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ‘লা, কুল ইয়া আইয়্যুহাল কাফিরূন এবং কুল হু ওয়াল্লাহু আহাদ পাঠ করতেন। তাই যারা বিতর নামাজে সূরা নিয়ে জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস খুব সহজ নির্দেশনা দেয়। এখানে আরও এসেছে, নাসায়ীর বর্ণনায় আছে—তিনি কেবল শেষ রাকআতেই সালাম ফিরাতেন। তবে ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত পদ্ধতি বানিয়ে বলা ঠিক নয়; আমরা শুধু হাদিসে যা এসেছে তাই বলি। মূল শিক্ষা হলো, বিতর সালাতে কিরাআতের একটি নববী ধারা আছে এবং এই সূরাগুলো পাঠ করা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিতর সালাতে নির্দিষ্ট কিছু সূরা পাঠের নববী আমল বর্ণিত হয়েছে।
- আ‘লা, কাফিরূন ও ইখলাস সূরা বিতরে পড়া নবীজির আমলের মধ্যে এসেছে।
- সালাতের পদ্ধতিতে বর্ণিত কথার বাইরে বাড়তি দাবি করা উচিত নয়।
