২/৮. অধ্যায়ঃ
সাহ্উ সিজদা ও অন্যান্য সিজদা প্রসঙ্গ - সূরা আন-নাজম এর সিজদা এর বিধান
সূরা আন-নাজম পাঠে সিজদাহ না করার হাদিস
বুলুগুল মারাম : ৩৪২
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৩৪২
وَعَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - النَّجْمَ, فَلَمْ يَسْجُدْ فِيهَا. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
যায়দ বিন সাবিত (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সূরা “আন্-নাজ্ম” পড়ে শুনিয়েছিলাম- তিনি তাতে সিজদাহ করেননি। [৩৮৩]
[৩৮৩] বুখারী ১০৭২, ১০৭৩, তিরমিযী ৫৭৬, নাসায়ী ৯৬০, আবূ দাঊদ ১৪০৪, আহমাদ ২১০৮১, ২১১১৩, দারেমী ১৪৭২
বুলুগুল মারাম হাদিস ৩৪২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে যায়িদ ইবনু সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সূরা আন-নাজম পড়ে শুনিয়েছিলেন, কিন্তু নবীজি তাতে সিজদাহ করেননি। আগের বর্ণনায় সূরা আন-নাজমে সিজদাহ করার কথা এসেছে, আর এখানে না করার কথা এসেছে। তাই এই হাদিস তিলাওয়াতের সিজদাহ বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে: একই সূরার ক্ষেত্রে ভিন্ন বর্ণনাও এসেছে। তবে হাদিসের ভাষা যতটুকু বলেছে, ব্যাখ্যাও ততটুকু সীমায় রাখা উচিত। “তিলাওয়াতের সিজদাহ ফরজ কি না”, “সূরা নাজম সিজদা” এবং “সিজদার আয়াত” এসব বিষয়ে মানুষ সাধারণত এই হাদিস খোঁজে। এটি আমলে ভারসাম্য ও দলিল বুঝে চলার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সূরা আন-নাজম পাঠের পর সিজদাহ না করার বর্ণনাও এসেছে।
- একই বিষয়ে একাধিক বর্ণনা থাকলে ধীরে ও সতর্কভাবে বুঝতে হয়।
- হাদিসের টেক্সটের বাইরে অতিরিক্ত সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়।
