২/৫. অধ্যায়ঃ
সালাতে খুশূ বা বিনয় নম্রতার প্রতি উৎসাহ প্ৰদান - সালাতে কংকর সরানোর বিধান
সালাতের আদব: অকারণ নড়াচড়া থেকে বিরত থাকা
বুলুগুল মারাম : ২৪২
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ২৪২
وَفِي «الصَّحِيحِ» عَنْ مُعَيْقِيبٍ نَحْوُهُ بِغَيْرِ تَعْلِيلٍ
মু‘আইকিব্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এর কারণ দর্শান বলেন, ব্যতীত পূর্বানুরূপ আরো একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে। [২৭৮]
[২৭৮] বুখারী ১২০৭, মুসলিম ৫৪৬, তিরমিযী ৩৮০, নাসায়ী ১২৯২, আবূ দাঊদ ৯৪৬, মুওয়াত্তা মালেক ১০২৬, আহমাদ ১৫০৮৩, ২৩০৯৮, দারেমী ১৩৮৭ সহীহ। মুসলিমের শব্দ হচ্ছেঃ (আরবী) “যদি তুমি তা করতেই চাও তাহলে একবার করতে পারো।
বুলুগুল মারাম হাদিস ২৪২-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় আগের মতোই সালাতে কঙ্কর বা মাটি নিয়ে নাড়াচাড়া করার বিষয়টি এসেছে, তবে এখানে কারণ উল্লেখ করা হয়নি। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, নামাজে দাঁড়ালে শরীর ও মন দুটোই শান্ত রাখা দরকার। সালাতের সময় মানুষ আল্লাহর সামনে দাঁড়ায়। তাই সামনের জায়গা ঠিক করতে গিয়ে বারবার হাত চালানো বা ছোট কাজে ব্যস্ত হওয়া নামাজের মনোযোগে প্রভাব ফেলতে পারে। এই হাদিসের শিক্ষা খুব সহজ—সালাত শুরু করার আগে যতটা সম্ভব জায়গা ঠিক করে নেওয়া, আর সালাতে দাঁড়ানোর পর অকারণ নড়াচড়া কমানো। এতে নামাজে খুশু ধরে রাখা সহজ হয় এবং ইবাদতের সৌন্দর্য বজায় থাকে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতে দাঁড়ানোর পর অকারণ নড়াচড়া কমানো উচিত।
- এই বর্ণনায় কারণ না এলেও সালাতের আদবের বিষয়টি স্পষ্ট।
- নামাজের আগে জায়গা ঠিক করে নেওয়া মনোযোগ রাখতে সাহায্য করে।
- সালাতে স্থিরতা রাখা ইবাদতের শোভা বাড়ায়।
