২/২. অধ্যায়ঃ

আযান (সালাতের জন্য আহ্বান) - মুয়াজ্জিন উচ্চৈঃকণ্ঠের অধিকারী হওয়া মুস্তাহাব

সুন্দর কণ্ঠে আযান: আবূ মাহযূরাহ (রাঃ)-কে আযান শেখানো

বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১৮৩

وَعَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - أَعْجَبَهُ صَوْتُهُ, فَعَلَّمَهُ الْآذَانَ. رَوَاهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ

আবূ মাহ্যূয়ার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তাঁর কণ্ঠস্বর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট পছন্দনীয় হওয়ায় তিনি তাঁকে আযন শিখিয়ে দেন। [২১৬]

[২১৬] ইবনু খুযাইমাহ ৩৭৭

বুলুগুল মারাম হাদিস ১৮৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আবূ মাহযূরাহ (রাঃ)-এর ব্যাপারে বলা হয়েছে যে তাঁর কণ্ঠস্বর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে পছন্দনীয় হয়েছিল। এরপর তিনি তাঁকে আযান শিখিয়ে দেন। এখানে আযানের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে আসে—মুয়াযযিনের কণ্ঠ মানুষের কাছে সালাতের ডাক পৌঁছে দেয়। সুন্দর ও স্পষ্ট কণ্ঠ মানুষকে আযানের দিকে মনোযোগী করতে সাহায্য করে। তবে এই হাদিস শুধু কণ্ঠ পছন্দ হওয়া এবং আযান শেখানোর কথাই বলে; এর বাইরে কোনো বড় দাবি করা ঠিক নয়। আযান শেখা, ঠিকভাবে বলা এবং শব্দগুলো মানুষের কাছে পরিষ্কারভাবে পৌঁছানো—এই শিক্ষাই এখানে সবচেয়ে সরাসরি বোঝা যায়। তাই আযান শেখানোর সময় শুধু মুখস্থ করানো নয়, উচ্চারণ, ধ্বনি এবং স্পষ্ট বলার দিকেও যত্ন নেওয়া উচিত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • আযান শেখানো একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীনি শিক্ষা।
  • মুয়াযযিনের কণ্ঠ স্পষ্ট ও সুন্দর হওয়া উপকারী।
  • রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীকে আযান শিখিয়েছেন—এতে শিক্ষার গুরুত্ব দেখা যায়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন