১/২. অধ্যায়ঃ
পাত্র - স্বর্ণ ও রৌপ্যের পাত্রে খাওয়া বা পান করা হারাম
সোনা-রূপার পাত্রে খাওয়া-পানা নিষেধ: দুনিয়া ও আখিরাতের শিক্ষা
বুলুগুল মারাম : ১৬
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১৬
عَنْ حُذَيْفَةَ بْنِ الْيَمَانِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم: «لَا تَشْرَبُوا فِي آنِيَةِ الذَّهَبِ والْفِضَّةِ، وَلَا تَأْكُلُوا فِي صِحَافِهَا، فَإِنَّهَا لَهُمْ فِي الدُّنْيَا، وَلَكُمْ فِي الْآخِرَةِ» مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
হুযাইফাহ বিন্ ইয়ামান (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা সোনা ও রূপার পাত্রে পান করো না এবং এগুলোর বাসনে আহার করো না। কেননা দুনিয়াতে এগুলো কাফিরদের জন্য আর আখিরাতে তোমাদের জন্য। [২৪]
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম সোনা ও রূপার পাত্রে পান করতে এবং সেগুলোর বাসনে আহার করতে নিষেধ করেছেন। এরপর বলেছেন, দুনিয়াতে এগুলো কাফিরদের জন্য এবং আখিরাতে তোমাদের জন্য। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, মুসলিমের জীবন শুধু বাহ্যিক আড়ম্বরের পেছনে চলবে না। খাওয়া-পানার পাত্রের ক্ষেত্রেও নবীজির নির্দেশনা মানতে হবে। সোনা-রূপার পাত্র, বিলাসিতা, খাওয়া-পানার আদব—এসব বিষয়ে এই বর্ণনা খুব স্পষ্ট। এখানে মূল কথা নিষেধ; তাই ব্যাখ্যায় এটাকে হালকা করে দেখানো ঠিক নয়। একই সঙ্গে হাদিসটি আখিরাতের নিয়ামতের কথা স্মরণ করিয়ে দুনিয়ার চাকচিক্য থেকে সংযম শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সোনা ও রূপার পাত্রে পান করা নিষেধ করা হয়েছে।
- সোনা-রূপার বাসনে আহার করাও নিষেধ।
- মুসলিমের জীবনে আখিরাতের আশা দুনিয়ার বিলাসিতা থেকে সংযম শেখায়।
