২/১. অধ্যায়ঃ

সালাতের সময়সমূহ - কখন নবী (ﷺ) ফরয সালাত আদায করতেন তার বিবরণ

ইশা ও ফাজরের সময়: মানুষের অবস্থা দেখে নবীজির আমল

বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১৫৫

وَعِنْدَهُمَا مِنْ حَدِيثِ جَابِرٍ: وَالْعِشَاءُ أَحْيَانًا وَأَحْيَانًا: إِذَا رَآهُمْ اجْتَمَعُوا عَجَّلَ, وَإِذَا رَآهُمْ أَبْطَئُوا أَخَّرَ, وَالصُّبْحَ: كَانَ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - يُصَلِّيهَا بِغَلَسٍ

জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

ইশার সালাত কখনও দ্রুত কখনও দেরিতে পড়তেন। যখন দেখতেন লোক একত্রিত হয়ে গেছে তখন তাড়াতাড়ি করতেন। আর তারা বিলম্বে উপস্থিত হলে বিলম্বেই আদায় করতেন। আর তিনি ফাজ্‌রের সালাত খানিকটা অন্ধকারে আদায় করতেন। [১৮২]

[১৮২] বুখারী ৫৬০; মুসলিম ৬৪৬ শব্দবিন্যাস বুখারীর। মুসলিমের বর্ণনায় আছে- (আরবী) এশার সলাত কখনো বিলম্বে আদায় করতেন আবার কখনো তাড়াতাড়ি পড়ে নিতেন।

বুলুগুল মারাম হাদিস ১৫৫-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে ইশা ও ফাজরের সালাত সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর আমলের একটি সুন্দর দিক এসেছে। তিনি ইশার সালাত কখনও দ্রুত, কখনও দেরিতে পড়তেন। যখন দেখতেন লোকজন একত্রিত হয়ে গেছে, তখন দ্রুত আদায় করতেন। আর তারা দেরিতে উপস্থিত হলে তিনিও দেরিতে আদায় করতেন। এতে বোঝা যায়, জামাআতের মানুষের উপস্থিতি ও সুবিধার দিক বিবেচনা করা হয়েছে। ফাজরের সালাত তিনি খানিকটা অন্ধকারে আদায় করতেন। এই হাদিস থেকে নামাজের সময়সূচী নিয়ে একটি বাস্তব শিক্ষা পাওয়া যায়—সালাতের সময় ঠিক রেখে জামাআতের অবস্থাও দেখা হয়েছে। তবে এই বর্ণনা থেকে সব পরিস্থিতির বিস্তারিত বিধান বের করা নয়; বরং হাদিসের সীমিত নির্দেশনাই বুঝতে হবে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ইশার সালাতে মানুষের উপস্থিতি বিবেচনার বর্ণনা এসেছে।
  • লোকজন একত্র হলে ইশা দ্রুত আদায় করা হতো।
  • লোকজন দেরি করলে ইশাও দেরিতে আদায়ের বর্ণনা আছে।
  • ফাজরের সালাত খানিকটা অন্ধকারে আদায়ের কথা এসেছে।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন