১৫/০. অধ্যায়ঃ
দাস-দাসী আযাদ করার ফযীলাত প্রসঙ্গে
নারীর দাস মুক্তি: মুক্তির আমল ও দয়ার শিক্ষা
বুলুগুল মারাম : ১৪২০
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১৪২০
وَلِأَبِي دَاوُدَ: مِنْ حَدِيثِ كَعْبِ بْنِ مُرَّةَ: «وَأَيُّمَا امْرَأَةٍ أَعْتَقَتْ امْرَأَةً مُسْلِمَةً, كَانَتْ فِكَاكَهَا مِنَ النَّارِ
কা’ব ইবনু মুররা হতে বর্ণিতঃ
কোন মুসলিম নারী যদি কোন মুসলিম নারীকে দাসত্ব থেকে মুক্ত করে তবে এটা তার জাহান্নাম হতে মুক্তিলাভের কারণ হবে।
[১৫২৮] আবূ দাউদ ৩৯৬৭, তিরমিযির হাদিস সহিহ ও আবু দাউদের হাদিস মাকবুল; তাওযিহুল আহকাম ৭/২৪৩
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৪২০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, কোনো মুসলিম নারী যদি কোনো মুসলিম নারীকে দাসত্ব থেকে মুক্ত করে, তবে তা তার জাহান্নাম থেকে মুক্তিলাভের কারণ হবে। বর্ণনাটি দাস মুক্তির ফজিলতকে নারীদের ক্ষেত্রেও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। এখানে মূল কথা হলো, মানুষের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়া শুধু সামাজিক সহায়তা নয়; এটি আখিরাতের কল্যাণের কারণ হিসেবেও এসেছে। একজন মুসলিম নারী অন্য নারীকে দাসত্বের কষ্ট থেকে মুক্ত করলে সেই কাজের মর্যাদা বড়। এই হাদিস করুণা, সহায়তা এবং মানুষকে কষ্ট থেকে বের করে আনার শিক্ষা দেয়। অতিরিক্ত কোনো ঘটনা বা বিধান যোগ না করে বলা যায়, দাস মুক্তি আল্লাহর নিকট বড় নেক কাজের একটি পথ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুসলিম নারীও দাস মুক্তির বড় ফজিলতে অংশ নিতে পারে।
- এক নারীকে দাসত্ব থেকে মুক্ত করা জাহান্নাম থেকে মুক্তির কারণ বলা হয়েছে।
- মানুষকে কষ্ট থেকে মুক্ত করা দয়ার কাজ।
- আখিরাতের কল্যাণের জন্য মানুষের হক ও স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ।
