১৫/০. অধ্যায়ঃ
দাস-দাসী আযাদ করার ফযীলাত প্রসঙ্গে
দাস মুক্তির ফজিলত: জাহান্নাম থেকে মুক্তির আশা
বুলুগুল মারাম : ১৪১৮
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১৪১৮
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «أَيُّمَا امْرِئٍ مُسْلِمٍ أَعْتَقَ امْرَأً مُسْلِمًا, اسْتَنْقَذَ اللَّهُ بِكُلِّ عُضْوٍ مِنْهُ عُضْوًا مِنْهُ مِنَ النَّارِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে কোন মুসলিম কোন মুসলিমকে দাসত্ব থেকে মুক্তি দান করবে ঐ দাসের প্রতিটি অঙ্গের মুক্তির বিনিময়ে মুক্তিদাতার প্রত্যেক অঙ্গকে আল্লাহ জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দান করবেন। [১৫২৬]
[১৫২৬] বুখারী ৬৭১৫, মুসলিম ১৫০৯, তিরমিযী ১৫৪১, আহমাদ ৫১৫৪, ৯২৫৭, ৯২৭৮।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৪১৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুসলিম দাস মুক্ত করার বড় ফজিলত বলেছেন। যে মুসলিম কোনো মুসলিমকে দাসত্ব থেকে মুক্ত করে, মুক্ত দাসের প্রতিটি অঙ্গের বিনিময়ে মুক্তিদাতার প্রতিটি অঙ্গকে আল্লাহ জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্ত করবেন—এ কথা বর্ণনায় এসেছে। এখানে মূল শিক্ষা হলো দাসত্ব থেকে মুক্তি দেওয়া একটি বড় দয়ার কাজ এবং এতে মানুষের স্বাধীনতা ও মর্যাদা রক্ষা হয়। হাদিসটি দান, করুণা এবং অন্যের কষ্ট লাঘবের সুন্দর শিক্ষা দেয়। তবে ব্যাখ্যায় হাদিসের শব্দের বাইরে অতিরিক্ত প্রতিশ্রুতি যোগ করা ঠিক নয়। আমরা বলতে পারি, দাস মুক্তি জাহান্নাম থেকে মুক্তির বড় কারণ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দাসত্ব থেকে মানুষকে মুক্ত করা বড় নেক কাজ।
- মুসলিম দাস মুক্তির সঙ্গে জাহান্নাম থেকে মুক্তির কথা এসেছে।
- অন্যের স্বাধীনতা ও কষ্ট লাঘব করা ইসলামে মূল্যবান।
- দান ও দয়ার কাজ আল্লাহর কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
