১১/০. অধ্যায়ঃ
বিধর্মীকে নিরাপত্তা দান করা প্রসঙ্গে
উম্মু হানীর আশ্রয় ও নবীজির স্বীকৃতির হাদিস
বুলুগুল মারাম : ১৩০০
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১৩০০
زَادَ ابْنُ مَاجَه مِنْ وَجْهٍ آخَرَ: يُجِيرُ عَلَيْهِمْ أَقْصَاهُمْوَفِي «الصَّحِيحَيْنِ» مِنْ حَدِيثٍ أَمِ هَانِئٍ: «قَدْ أَجَرْنَا مَنْ أَجَرْتِ
ইবনু মাজাহ হতে বর্ণিতঃ
মুসলিমদের একজন দূরতম ব্যক্তি অর্থাৎ নগণ্য লোকও সকল মুসলিমের পক্ষ হতে আশ্রয় প্রদানের অধিকার রাখে। [১৪০৭] বুখারী মুসলিমে উম্মু হানী (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত; হাদীসে আছে, তুমি যাকে আশ্রয় দেবে তাকে আমরাও আশ্রয় দিয়েছি বলে সাব্যস্ত হবে।
[১৪০৭] আবু দাউদ ২৭৫১, ইবনু মাজাহ ২৬৮৫. আহমাদ ৬৭৫১, ৬৯৩১।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৩০০-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, মুসলিমদের একজন দূরতম বা সাধারণ ব্যক্তি সকল মুসলিমের পক্ষ থেকে আশ্রয় প্রদানের অধিকার রাখে। এরপর উম্মু হানী রাঃ-এর বর্ণনার কথা এসেছে, যেখানে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, তুমি যাকে আশ্রয় দিয়েছ, আমরাও তাকে আশ্রয় দিয়েছি। এতে বোঝা যায়, একজন মুসলিমের দেওয়া নিরাপত্তা বা আশ্রয়কে নবীজি গুরুত্ব দিয়েছেন। এখানে মূল বিষয় হলো আশ্রয়ের প্রতিশ্রুতি রক্ষা। ব্যক্তির মর্যাদা, নারী-পুরুষ বা সামাজিক অবস্থান দিয়ে নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতিকে হালকা করে দেখা যায় না—বর্ণনার ভাষা থেকে এই শিক্ষা পাওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উম্মু হানীর দেওয়া আশ্রয় নবীজি স্বীকার করেছেন।
- সাধারণ মুসলিমের আশ্রয়ও গুরুত্ব পায়।
- নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা দায়িত্বের বিষয়।
- আশ্রয় দানের ক্ষেত্রে সামাজিক অবস্থানকে একমাত্র মানদণ্ড করা ঠিক নয়।
