৭/৫১. অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি মিনার যে জায়গায় আগে পৌঁছবে সেটিই হবে তার অবস্থানস্থল
মিনায় অবস্থান: আগে পৌঁছানো হাজির জায়গার অধিকার
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৮৮১
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৮৮১
حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عِيسَى، وَمُحَمَّدُ بْنُ أَبَانَ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُهَاجِرٍ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ، عَنْ أُمِّهِ، مُسَيْكَةَ عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلاَ نَبْنِي لَكَ بَيْتًا يُظِلُّكَ بِمِنًى قَالَ " لاَ مِنًى مُنَاخُ مَنْ سَبَقَ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ .
আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ)! আমরা মিনায় আপনার জন্য কি একটা ঘর বানিয়ে দিব যা আপনাকে ছায়া দিবে? তিনি বললেনঃ না। যে ব্যক্তি মিনায় যে জায়গাতে আগে পৌঁছবে সেটিই হবে তার অবস্থানস্থল।
যঈফ, ইবনু মাজাহ (৩০০৬), আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ্।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৮৮১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো মিনায় অবস্থানের জায়গা। সাহাবিরা রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর জন্য এমন একটি ঘর বানাতে চেয়েছিলেন, যা তাঁকে ছায়া দেবে। কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি। তিনি জানিয়ে দেন, মিনায় যে ব্যক্তি যে জায়গায় আগে পৌঁছবে, সেটিই তার অবস্থানস্থল হবে। অর্থাৎ এখানে কোনো বিশেষ ব্যক্তির জন্য স্থায়ীভাবে জায়গা আটকে রাখার কথা বলা হয়নি। হাদিসটি মিনায় থাকার ক্ষেত্রে সরলতা, সমতা ও সাধারণ হাজিদের সুযোগের দিকটি তুলে ধরে। ‘মিনায় অবস্থান’ ও ‘মিনার জায়গা’ বিষয়ে যারা জানতে চান, তাদের জন্য এই বর্ণনা খুবই সরাসরি। এতে বোঝা যায়, হজের এই স্থানে ব্যক্তিগত সুবিধার চেয়ে সবার জন্য খোলা ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এখানে মূল কথাটি হলো, মিনার অবস্থানস্থল ব্যক্তিগত স্থায়ী সম্পত্তি হিসেবে দেখানো হয়নি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মিনায় আগে পৌঁছানো ব্যক্তি তার পাওয়া জায়গায় অবস্থান করতে পারে।
- বিশেষ সুবিধার জন্য মিনার জায়গা স্থায়ীভাবে আলাদা করার কথা হাদিসে নেই।
- হজের অবস্থানস্থলে সাধারণ হাজিদের সমান সুযোগের দিকটি গুরুত্ব পায়।
