৭/৪৩. অধ্যায়ঃ

তাওয়াফের দুই রাকাত নামাযের কেরাত

তাওয়াফের দুই রাকাতে কোন সূরা পড়বেন

জামে তিরমিযীহাদিস নম্বর ৮৬৯

أَخْبَرَنَا أَبُو مُصْعَبٍ الْمَدَنِيُّ، قِرَاءَةً عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ عِمْرَانَ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَرَأَ فِي رَكْعَتَىِ الطَّوَافِ بِسُورَتَىِ الإِخْلاَصِْ ‏:‏ ‏(‏ قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ ‏)‏ وَ ‏(‏ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ‏)‏‏.‏

জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তাওয়াফের দুই রাকাত নামাজ আদায়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইখলাসের দুইটি সূরা তিলাওয়াত করেনঃ সূরা কাফিরুন এবং সূরা ইখলাস।

-সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩০৭৪), মুসলিম।

জামে তিরমিযী হাদিস ৮৬৯-এর সারসংক্ষেপ

মূল বিষয়: তাওয়াফের নামাজ। এই বর্ণনায় জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সূত্রে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم তাওয়াফের দুই রাকাত নামাজে দুটি সূরা পড়েছেন—প্রথমটি সূরা কাফিরুন এবং দ্বিতীয়টি সূরা ইখলাস। তাই তাওয়াফের দুই রাকাতে কোন সূরা পড়তে হয়—এই প্রশ্নের সঙ্গে হাদিসটি সরাসরি সম্পর্কিত। বর্ণনাটি কিরাআতের একটি নির্দিষ্ট উদাহরণ তুলে ধরে। তবে এই পাঠকে এমনভাবে বলা উচিত নয় যেন অন্য কোনো সূরা পড়লেই নামাজ হবে না। কারণ এই নির্দিষ্ট বর্ণনায় শুধু নবী صلى الله عليه وسلم-এর নামে এই দুই সূরা পাঠের কথা এসেছে। পরের বর্ণনায় সনদের দিক নিয়ে আরও মন্তব্য রয়েছে। এই হাদিস থেকে মূলত তাওয়াফের দুই রাকাত নামাজে সূরা কাফিরুন ও সূরা ইখলাস পড়ার পরিচিত আমলটি জানা যায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • তাওয়াফের নামাজ দুই রাকাত হিসেবে উল্লেখিত।
  • বর্ণনায় সূরা কাফিরুন ও সূরা ইখলাস পাঠের কথা এসেছে।
  • এই দুই সূরা তাওয়াফের নামাজের কিরাআতের একটি নির্দিষ্ট উদাহরণ।
  • হাদিসের বক্তব্যের বাইরে অন্য কিরাআতকে অকার্যকর বলা ঠিক নয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন