৭/১৪. অধ্যায়ঃ
তালবিয়া ও কুরবানির ফজিলত
উত্তম হজ্জের বৈশিষ্ট্য: উচ্চস্বরে তালবিয়া ও কুরবানি
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৮২৭
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৮২৭
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، ح وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، عَنِ الضَّحَّاكِ بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَرْبُوعٍ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سُئِلَ أَىُّ الْحَجِّ أَفْضَلُ قَالَ " الْعَجُّ وَالثَّجُّ " .
আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে প্রশ্ন করা হল, কোন প্রকার হজ্জ সবচেয়ে উত্তম? তিনি বলেনঃ চিৎকার করা (উচ্চস্বরে তালবিয়া পাঠ) ও রক্ত প্রবাহিত করা (কুরবানি দেওয়া)।
-সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৯২৪)।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৮২৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কোন ধরনের হজ্জ উত্তম। তিনি সংক্ষিপ্তভাবে দুটি কাজের কথা বলেন: উচ্চস্বরে তালবিয়া পাঠ করা এবং কুরবানি দেওয়া। আরবি বর্ণনায় প্রথমটি “আজ্জ” এবং দ্বিতীয়টি “ছাজ্জ” শব্দে এসেছে। অনুবাদে এগুলোর অর্থ যথাক্রমে তালবিয়ার আওয়াজ উঁচু করা ও কুরবানির রক্ত প্রবাহিত করা। হাদিসটি হজ্জের দুটি দৃশ্যমান আমলকে গুরুত্ব দেয়। তালবিয়া আল্লাহর ডাকে হাজির হওয়ার ঘোষণা, আর কুরবানি হজ্জের নির্দিষ্ট ইবাদতের অংশ। তবে এই এক বর্ণনা থেকে হজ্জের অন্য সব আমলকে কম গুরুত্বপূর্ণ বলা যাবে না। এখানে প্রশ্নের জবাবে যে দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ হয়েছে, সেগুলোই সীমিতভাবে তুলে ধরতে হবে। হাজির জন্য শিক্ষা হলো, তালবিয়া সচেতনভাবে বলা এবং নির্ধারিত কুরবানির আমল যথাযথভাবে করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উত্তম হজ্জের বৈশিষ্ট্য হিসেবে উচ্চস্বরে তালবিয়ার কথা এসেছে।
- কুরবানি দেওয়াও এই হাদিসে উত্তম হজ্জের একটি বৈশিষ্ট্য।
- হাদিসের বক্তব্য যতটুকু, ব্যাখ্যাতেও ততটুকু সীমা রাখা উচিত।
