৬/৮২. অধ্যায়ঃ
রোজাদারকে ইফতার করানোর ফজিলত
রোজাদারকে ইফতার করানোর সওয়াব ও সহজ আমল
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৮০৭
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৮০৭
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ فَطَّرَ صَائِمًا كَانَ لَهُ مِثْلُ أَجْرِهِ غَيْرَ أَنَّهُ لاَ يَنْقُصُ مِنْ أَجْرِ الصَّائِمِ شَيْئًا " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
যাইদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন রোজা পালনকারীকে যে লোক ইফতার করায় সে লোকের জন্যেও রোজা পালনকারীর সমপরিমাণ সওয়াব রয়েছে। কিন্তু এর ফলে রোজা পালনকারীর সওয়াব থেকে বিন্দুমাত্র কমানো হবে না।
-সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (১৭৪৬)আবূ ঈসা এ হাদীসটিকে হাসান সহীহ্ বলেছেন।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৮০৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রোজাদারকে ইফতার করানোর বড় উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করায়, সে রোজাদারের সমপরিমাণ সওয়াব পাবে। একই সঙ্গে স্পষ্ট করা হয়েছে, এতে রোজাদারের নিজের সওয়াব থেকে কিছুই কমবে না। অর্থাৎ একজনের ভালো কাজে সাহায্য করলে আল্লাহ সাহায্যকারীকে সওয়াব দেন, কিন্তু মূল আমলকারীর প্রাপ্য কমিয়ে দেন না। হাদিসে ইফতারের খাবারের পরিমাণ, দাম বা আয়োজনের ধরন নির্ধারণ করা হয়নি। তাই এর বাইরে বড় আয়োজনই করতে হবে—এমন দাবি করা ঠিক নয়। মূল বিষয় হলো রোজাদারের ইফতারের ব্যবস্থা করা। এটি পরিবার, প্রতিবেশী, মসজিদের মুসল্লি বা প্রয়োজনমতো কোনো রোজাদারের জন্য হতে পারে, তবে ব্যাখ্যা মূল বক্তব্যের সীমার মধ্যেই রাখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রোজাদারকে ইফতার করানো সওয়াবের কাজ।
- ইফতার করানো ব্যক্তি রোজাদারের সমপরিমাণ সওয়াব পায়।
- ইফতার করানোর কারণে রোজাদারের সওয়াব কমে না।
- হাদিসে বড় বা ব্যয়বহুল আয়োজনের কোনো শর্ত উল্লেখ নেই।
