৬/৬১. অধ্যায়ঃ
এই বিষয়ে (রক্তক্ষরণের) অনুমতি প্রসঙ্গে
নবী صلى الله عليه وسلم রোজা থাকা অবস্থায় হিজামা করিয়েছেন
জামে তিরমিযী : ৭৭৬
জামে তিরমিযীহাদিস নম্বর ৭৭৬
حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى، مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ الشَّهِيدِ، عَنْ مَيْمُونِ بْنِ مِهْرَانَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم احْتَجَمَ وَهُوَ صَائِمٌ . هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) রোযা থাকাবস্থায় রক্তক্ষরণ করেছেন।
-সহীহ্, প্রাগুক্তআবূ ঈসা বলেন, উপরোক্ত সূত্রে হাদীসটি হাসান গারীব।
জামে তিরমিযী হাদিস ৭৭৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো রোজা অবস্থায় হিজামা। ইবনু আব্বাস রাঃ জানিয়েছেন, নবী صلى الله عليه وسلم রোজা থাকা অবস্থায় হিজামা করিয়েছিলেন। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত হওয়ায় এখানে হিজামার সময়, কারণ বা শরীরের কোন অংশে তা করা হয়েছিল—এসব বিস্তারিত নেই। মূল তথ্যটি হলো, হিজামার সময় তিনি রোজাদার ছিলেন। রোজা ও হিজামা নিয়ে আলোচনা করার সময় এই বর্ণনাটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি একটি বাস্তব ঘটনার কথা জানায়। তবে অন্য কোনো বর্ণনার বক্তব্যকে এই হাদিসের মধ্যে মিশিয়ে দেওয়া ঠিক নয়। একই বিষয়ে একাধিক বর্ণনা থাকলে সেগুলো একসঙ্গে বিবেচনা করে বিস্তারিত বিধান বোঝা হয়। এই নির্দিষ্ট হাদিসের সহজ শিক্ষা হলো, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর রোজা অবস্থায় হিজামা করানোর ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। এর বেশি কোনো শর্ত বা ব্যতিক্রম অনুবাদে উল্লেখ করা হয়নি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم রোজা থাকা অবস্থায় হিজামা করিয়েছিলেন।
- বর্ণনাটি ইবনু আব্বাস রাঃ থেকে এসেছে।
- হাদিসে হিজামার কারণ বা সময়ের বিস্তারিত বলা হয়নি।
- একটি ঘটনার বর্ণনা থেকে অনুল্লেখিত শর্ত নিজের থেকে যোগ করা উচিত নয়।
