২/২১৫. অধ্যায়ঃ
যদি রাতে নামাজ আদায় না করেই ঘুমিয়ে যেতেন তবে তা দিনে আদায় করতেন
বিতরসহ রাতের নামাজ: তের ও নয় রাকাতের বর্ণনা
জামে তিরমিযী : ৪৪৪
জামে তিরমিযীহাদিস নম্বর ৪৪৪
وَرَوَاهُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ عَنِ الأَعْمَشِ، نَحْوَ هَذَا حَدَّثَنَا بِذَلِكَ، مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ الأَعْمَشِ، . قَالَ أَبُو عِيسَى وَأَكْثَرُ مَا رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ ثَلاَثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً مَعَ الْوِتْرِ وَأَقَلُّ مَا وُصِفَ مِنْ صَلاَتِهِ بِاللَّيْلِ تِسْعُ رَكَعَاتٍ .
সুফিয়ান সাওরী (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
সুফিয়ান সাওরী আ‘মাশের বরাতে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। আবু ঈসা বলেন, বেশিরভাগ যে হাদিসগুলো রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর রাতের নামাজ সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে তা হলো, রাতে তাঁর নামাজ ছিল তেরো রাকাত বিতরসহ। এবং রাতে তাঁর নামাজের সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় এসেছে নয় রাকাত।
আবূ ‘ঈসা বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের রাতের (তাহাজ্জুদের) নামায বিতরসহ সর্বোচ্চ তের রাক’আত এবং সর্বনিন্ম নয় রাক’আত ছিল বলে বর্ণিত আছে।
জামে তিরমিযী হাদিস ৪৪৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সুফিয়ান সাওরী (রহঃ) আ‘মাশের মাধ্যমে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এরপর আবু ঈসা বলেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর রাতের নামাজ সম্পর্কে অধিকাংশ বর্ণনায় বিতরসহ তের রাকাত এসেছে। আর তাঁর রাতের নামাজের সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় নয় রাকাতের কথা এসেছে। তাই এই হাদিসের কোর টপিক হলো রাতের নামাজ ও বিতর। এখানে একটি সুন্দর ভারসাম্য দেখা যায়: বর্ণনাগুলোতে সংখ্যা আছে, তবে সব বর্ণনা একইভাবে বলা হয়নি। তাই “তাহাজ্জুদ নামাজ কত রাকাত” জানতে গেলে এই হাদিস মনে করিয়ে দেয়, বর্ণনার ভাষা বুঝে কথা বলতে হবে। এতে অতিরিক্ত তর্ক নয়, বরং নবী صلى الله عليه وسلم-এর রাতের ইবাদতের প্রতি ভালোবাসা বাড়ে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাতের নামাজের বর্ণনায় বিতরের কথাও যুক্ত আছে।
- বেশিরভাগ বর্ণনায় বিতরসহ তের রাকাতের কথা এসেছে।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় নয় রাকাতের কথা আছে, তাই ভাষা বুঝে ব্যাখ্যা করা দরকার।
