৪৬/৫১. অধ্যায়ঃ
সাদ ইবনু মুআয (রাঃ)-এর মর্যাদা।
সাদ ইবন মুয়াজ (রাঃ)-এর জান্নাতি মর্যাদা ও জান্নাতের নেয়ামত
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৩৮৪৭
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩৮৪৭
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ أُهْدِيَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثَوْبٌ حَرِيرٌ فَجَعَلُوا يَعْجَبُونَ مِنْ لِينِهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " تَعْجَبُونَ مِنْ هَذَا لَمَنَادِيلُ سَعْدِ بْنِ مُعَاذٍ فِي الْجَنَّةِ أَحْسَنُ مِنْ هَذَا " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَنَسٍ . قَالَ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
আল-বারাআ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে একখানা রেশমি কাপড় উপহার দেওয়া হয়। সাহাবীরা তার কোমলতায় বিস্মিত হন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমরা এটা দেখে অবাক হচ্ছ। অথচ জান্নাতে সাদ ইবন মুয়াজ (রাঃ)-এর রুমাল এর তুলনায় আরো অনেক উন্নত মানের হবে।
সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।এ অনুচ্ছেদে আনাস (রাঃ) কর্তৃকও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৮৪৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে একটি রেশমি কাপড় উপহার দেওয়া হয়। সাহাবীরা কাপড়টির কোমলতা দেখে বিস্মিত হন। তখন রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেন, জান্নাতে সাদ ইবন মুয়াজ (রাঃ)-এর রুমাল এর চেয়েও উন্নত হবে। এখানে সাদ ইবন মুয়াজ (রাঃ)-এর ফজিলত এবং জান্নাতের নেয়ামতের একটি ইঙ্গিত পাওয়া যায়। মানুষ দুনিয়ার সুন্দর জিনিস দেখে অবাক হয়, কিন্তু জান্নাতের নেয়ামত তার চেয়ে অনেক উন্নত—এই ভাবনাও হাদিসে আছে। তবে জান্নাতের বিস্তারিত বর্ণনা এই হাদিসে নেই, তাই ব্যাখ্যাও সীমিত রাখা উচিত। মূল শিক্ষা হলো, আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের জন্য আখিরাতে এমন সম্মান থাকতে পারে, যা দুনিয়ার চোখে কল্পনা করাও কঠিন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দুনিয়ার সৌন্দর্য জান্নাতের নেয়ামতের সামনে সীমিত।
- সাদ ইবন মুয়াজ (রাঃ)-এর জান্নাতি মর্যাদা এই হাদিসে বোঝা যায়।
- সাহাবীদের ফজিলত নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর বক্তব্য থেকে জানা যায়।
- আখিরাতের নেয়ামতের কথা মনে করলে দুনিয়ার মোহ কমে।
