৪৬/৪৫. অধ্যায়ঃ
আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাঃ)-এর মর্যাদা
নবজাতকের নামকরণ ও তাহনীক: আবদুল্লাহর হাদিস
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৩৮২৬
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩৮২৬
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِسْحَاقَ الْجَوْهَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُؤَمَّلِ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَأَى فِي بَيْتِ الزُّبَيْرِ مِصْبَاحًا فَقَالَ " يَا عَائِشَةُ مَا أُرَى أَسْمَاءَ إِلاَّ قَدْ نَفِسَتْ فَلاَ تُسَمُّوهُ حَتَّى أُسَمِّيَهُ " . فَسَمَّاهُ عَبْدَ اللَّهِ وَحَنَّكَهُ بِتَمْرَةٍ بِيَدِهِ . قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ .
আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) যুবাইর (রাঃ)-এর ঘরে প্রদীপ জ্বলতে দেখে বললেনঃ হে আয়িশা! আমার মনে হয় আসমা সন্তান প্রসব করেছে। তোমরা তার নাম রেখ না, আমিই তার নাম রাখব। অতএব তিনি তার নাম রাখলেন ‘আবদুল্লাহ এবং একটি খেজুর চর্বন করে তা নিজ হাতে তাঁর মুখে দেন।
হাসানঃ বুখারী (৩৯০৯, ৩৯১০)।আবু 'ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৮২৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, নবী (صلى الله عليه وسلم) যুবাইর (রাঃ)-এর ঘরে প্রদীপ জ্বলতে দেখে বুঝলেন, আসমা (রাঃ) সন্তান প্রসব করেছেন। তিনি আয়িশা (রাঃ)-কে বললেন, শিশুর নাম তোমরা রাখবে না; আমিই তার নাম রাখব। পরে তিনি শিশুর নাম রাখলেন ‘আবদুল্লাহ’। এরপর একটি খেজুর চিবিয়ে নিজ হাতে তার মুখে দিলেন। এখানে মূল বিষয় হলো নবজাতকের নামকরণ, ভালো নাম রাখা এবং তাহনীক। হাদিসটি আমাদের দেখায়, নবীজি নবজাতক শিশুর ব্যাপারেও যত্ন নিতেন। শিশুর প্রথম জীবনে বরকতময় দোয়া, ভালো নাম এবং কোমল আচরণের গুরুত্ব এ বর্ণনায় ফুটে ওঠে। তবে হাদিসে যা নেই, তার বাইরে কোনো বাড়তি নিয়ম এখানে যোগ করা হচ্ছে না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবজাতকের জন্য ভালো নাম রাখা একটি সুন্দর কাজ।
- তাহনীকের বিষয়টি এই হাদিসে নবীজির কাজ হিসেবে এসেছে।
- শিশুর জন্মের খবর পেলে আনন্দ ও যত্ন প্রকাশ করা যায়।
- নবীজি শিশুদের বিষয়েও স্নেহ ও মনোযোগ দিতেন।
