৪৬/২৩. অধ্যায়ঃ
আয-যুবাইর ইবনুল আওয়াম (রাঃ)-এর মর্যাদা
যুবাইর (রাঃ)-এর মর্যাদা: বনু কুরাইযার দিনের ঘটনা
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৩৭৪৩
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩৭৪৩
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنِ الزُّبَيْرِ، قَالَ جَمَعَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَبَوَيْهِ يَوْمَ قُرَيْظَةَ فَقَالَ " بِأَبِي وَأُمِّي " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
আয-যুবাইর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বনু কুরাইযার যুদ্ধের দিন আমার ক্ষেত্রে একত্রে তাঁর পিতা-মাতার উল্লেখ করে বলেন: আমার পিতা-মাতা তোমার জন্য উৎসর্গ হোক।
সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।আবূ 'ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৭৪৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে যুবাইর ইবনুল আওয়াম (রাঃ)-এর বিশেষ মর্যাদা বলা হয়েছে। যুবাইর (রাঃ) জানান, বনু কুরাইযার যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাঁর ক্ষেত্রে নিজের পিতা-মাতার কথা একত্রে উল্লেখ করে বলেন, “আমার পিতা-মাতা তোমার জন্য উৎসর্গ হোক।” এটি একটি সম্মানসূচক বাক্য, যা নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁর প্রতি সন্তুষ্টি ও ভালোবাসা প্রকাশের জন্য বলেছেন। তাই “যুবাইর রাঃ ফজিলত” এবং “বনু কুরাইযা যুবাইর” বিষয়গুলো এই হাদিসের সাথে সরাসরি যুক্ত। এখানে যুদ্ধের বিস্তারিত আলোচনা নেই; মূল বার্তা হলো, রাসূল (صلى الله عليه وسلم) যুবাইর (রাঃ)-কে বিশেষ সম্মান দিয়েছেন। মুসলিম পাঠকের জন্য এতে সাহাবীদের ত্যাগ ও নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর মূল্যায়ন বোঝার সুযোগ আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যুবাইর (রাঃ)-এর সেবা ও অবস্থান নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর প্রশংসা পেয়েছে।
- সম্মানিত ভাষায় কাউকে উৎসাহ দেওয়া সুন্নাহর এক সুন্দর দিক।
- হাদিসের সীমার মধ্যে থেকেই সাহাবীর মর্যাদা বোঝা উচিত।
