৪৬/২১. অধ্যায়ঃ
মুনাফিকরা আলী (রাঃ)-এর প্রতি বিদ্বেষী
আহলে বাইতের ভালোবাসা: হাসান-হুসাইন (রাঃ)-এর মর্যাদা
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৩৭৩৩
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩৭৩৩
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، أَخْبَرَنِي أَخِي، مُوسَى بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِيهِ، جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِيهِ، مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ عَنْ أَبِيهِ، عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَخَذَ بِيَدِ حَسَنٍ وَحُسَيْنٍ فَقَالَ " مَنْ أَحَبَّنِي وَأَحَبَّ هَذَيْنِ وَأَبَاهُمَا وَأُمَّهُمَا كَانَ مَعِي فِي دَرَجَتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ .
আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হাসান ও হুসাইনের হাত ধরে বলেনঃ যে ব্যক্তি আমাকে ভালোবাসে এবং এ দুজন ও তাদের পিতা-মাতাকে ভালোবাসে, সে কেয়ামতের দিন আমার সাথে একই মর্যাদায় থাকবে।
আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব। আমরা জাফর ইবনু মুহাম্মাদ হতে শুধুমাত্র এই সূত্রেই হাদীসটি জেনেছি।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৭৩৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) হাসান ও হুসাইন (রাঃ)-এর হাত ধরে বলেন, যে ব্যক্তি তাঁকে ভালোবাসে এবং এই দুজনকে, তাদের পিতা আলী (রাঃ) ও মা ফাতিমা (রাঃ)-কে ভালোবাসে, সে কিয়ামতের দিন তাঁর সঙ্গে একই মর্যাদায় থাকবে। এই বর্ণনার মূল শিক্ষা হলো আহলে বাইতের ভালোবাসা। এখানে ভালোবাসা শুধু মুখের কথা নয়; নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর পরিবারকে সম্মান করা, তাঁদের মর্যাদা জানা এবং তাঁদের বিষয়ে সুন্দর ধারণা রাখা এর অংশ। তবে ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত দাবি না করে হাদিসে যা এসেছে তাই বলা উচিত। এই হাদিস মুসলিমদের মনে নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর পরিবার সম্পর্কে ভালোবাসা ও সম্মান জাগায়। একই সঙ্গে এটি শেখায়, নবীজিকে ভালোবাসার সঙ্গে তাঁর প্রিয়জনদের ভালোবাসাও জড়িত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আহলে বাইতের ভালোবাসা এই হাদিসে বিশেষভাবে এসেছে।
- হাসান ও হুসাইন (রাঃ)-এর মর্যাদা নবীজি (صلى الله عليه وسلم) নিজে উল্লেখ করেছেন।
- নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-কে ভালোবাসার সঙ্গে তাঁর পরিবারকে সম্মান করাও জড়িত।
