২/১৫৯. অধ্যায়ঃ

নামাযের মধ্যে ইশারা করা

নামাজে হাতের ইশারা: সালামের জবাবের সহজ নিয়ম

জামে তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩৬৮

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قُلْتُ لِبِلاَلٍ كَيْفَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَرُدُّ عَلَيْهِمْ حِينَ كَانُوا يُسَلِّمُونَ عَلَيْهِ وَهُوَ فِي الصَّلاَةِ قَالَ كَانَ يُشِيرُ بِيَدِهِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَحَدِيثُ صُهَيْبٍ حَسَنٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ اللَّيْثِ عَنْ بُكَيْرٍ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قُلْتُ لِبِلاَلٍ كَيْفَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَصْنَعُ حَيْثُ كَانُوا يُسَلِّمُونَ عَلَيْهِ فِي مَسْجِدِ بَنِي عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ قَالَ كَانَ يَرُدُّ إِشَارَةً ‏.‏ وَكِلاَ الْحَدِيثَيْنِ عِنْدِي صَحِيحٌ لأَنَّ قِصَّةَ حَدِيثِ صُهَيْبٍ غَيْرُ قِصَّةِ حَدِيثِ بِلاَلٍ ‏.‏ وَإِنْ كَانَ ابْنُ عُمَرَ رَوَى عَنْهُمَا فَاحْتَمَلَ أَنْ يَكُونَ سَمِعَ مِنْهُمَا جَمِيعًا ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

বিলাল (রাঃ) কে প্রশ্ন করলাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন নামাজে থাকতেন তখন তাঁকে সাহাবীগণ সালাম দিলে তিনি কিভাবে জবাব দিতেন? তিনি বলেন, তিনি হাত দিয়ে ইশারা করতেন।

সহীহ। ইবনু মাজাহ-(১০১৭)।এ হাদীসটি হাসান সহীহ। যাইদ ইবনু আসলাম ইবনু ‘উমার হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ “আমি বিলালকে প্রশ্ন করলাম, লোকেরা যখন আমর ইবনু আওফ গোত্রের মসজিদে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সালাম করত তখন তিনি কিভাবে তাদের সালামের জবাব দিতেন? তিনি বললেন, তিনি ইশারায় জবাব দিতেন।”এ দুটি হাদীসই আমার নিকট সহীহ। কেননা সুহাইবের হাদীসের ঘটনা বিলালের হাদীসের ঘটনা হতে ভিন্ন। যদিও ইবনু উমর (রাঃ) উভয়ের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। হতে পারে তিনি দু’জনের নিকটই শুনেছেন।

জামে তিরমিযী হাদিস ৩৬৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নামাজে সালামের জবাবের পদ্ধতি আরও পরিষ্কারভাবে এসেছে। ইবনু উমার (রাঃ) বিলাল (রাঃ)-কে প্রশ্ন করেছিলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) যখন নামাজে থাকতেন, তখন সাহাবীগণ সালাম দিলে তিনি কীভাবে জবাব দিতেন? বিলাল (রাঃ) বলেন, তিনি হাত দিয়ে ইশারা করতেন। তাই এই বর্ণনায় নামাজে হাতের ইশারা দিয়ে সালামের জবাব দেওয়ার কথা সরাসরি এসেছে। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, নামাজের ভেতরে মুখে কথা না বলে ইশারার মাধ্যমে জবাব দেওয়া হয়েছে। এতে সালামের উত্তরও হলো, আবার নামাজের নীরবতা ও মনোযোগও বজায় থাকল। নামাজের আদব শেখার জন্য এই হাদিসটি খুব সহজ ও ব্যবহারিক।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নামাজে সালামের জবাব হাতের ইশারায় দেওয়া হয়েছে।
  • নামাজের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় কথা এড়ানোর শিক্ষা আছে।
  • সালামের উত্তর দেওয়ার বিষয়টি ইশারার মাধ্যমে রক্ষা করা হয়েছে।
  • নামাজে আদব ও মনোযোগ দুটিই গুরুত্বপূর্ণ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন