৪৫/৬২. অধ্যায়ঃ
তাসবীহ, তাহ্মীদ, তাহ্লীল ও তাকবীর বলার ফজিলত
রমযানে তাসবিহের ফজিলত: এক তাসবিহের বড় মর্যাদা
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৩৪৭২
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩৪৭২
حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ الأَسْوَدِ الْعِجْلِيُّ الْبَغْدَادِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ تَسْبِيحَةٌ فِي رَمَضَانَ أَفْضَلُ مِنْ أَلْفِ تَسْبِيحَةٍ فِي غَيْرِهِ .
যুহ্রী (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
যুহরী (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন: রমযান মাসের এক তাসবিহ অন্য মাসের হাজার তাসবিহ থেকেও বেশি ফজিলতপূর্ণ।
সনদ দুর্বল, বিচ্ছিন্ন।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৪৭২-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনাটি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সরাসরি হাদিস নয়; যুহরী (রহঃ)-এর বক্তব্য হিসেবে এসেছে। তিনি বলেছেন, রমযান মাসের এক তাসবিহ অন্য মাসের হাজার তাসবিহ থেকেও বেশি ফজিলতপূর্ণ। এখানে মূল বিষয় হলো রমযানের মর্যাদা এবং সেই মাসে জিকিরের গুরুত্ব। রমযান এমন সময়, যখন মানুষ রোজা, নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত ও দোয়ার দিকে বেশি মন দেয়। এই বর্ণনা সেই আগ্রহকে তাসবিহের দিকেও নিয়ে যায়। তবে কথা বলার সময় এটিকে নবীজির সরাসরি উক্তি হিসেবে বলা ঠিক হবে না, কারণ প্রদত্ত পাঠে এটি যুহরী (রহঃ)-এর কথা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এটি যুহরী (রহঃ)-এর বর্ণনা; নবীজির সরাসরি কথা হিসেবে বলা যাবে না।
- রমযানে তাসবিহ ও জিকিরে বেশি মন দেওয়ার শিক্ষা আছে।
- পবিত্র মাসের সময় ভালো আমলে ব্যবহার করা উচিত।
- সুবহানাল্লাহ বলা আল্লাহর পবিত্রতা স্মরণের সহজ পথ।
