২/১৪৩. অধ্যায়ঃ
কিবলা শুরু হওয়ার বর্ণনা
ফজরের নামাজে কিবলার নির্দেশ: রুকুর সময়ের শিক্ষা
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৩৪১
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩৪১
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كَانُوا رُكُوعًا فِي صَلاَةِ الصُّبْحِ . قَالَ أَبُو عِيسَى وَحَدِيثُ ابْنِ عُمَرَ حَدِيثٌ صَحِيحٌ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তারা তখন ফজরের নামাজের রুকুতে ছিলেন।
সহীহ্। সিফাতুস সালাত-(৫৭), ইরওয়া-(২৯০), বুখারী ও মুসলিম।আবু ‘ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৪১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে খুব সংক্ষিপ্তভাবে বলা হয়েছে, তারা তখন ফজরের নামাজের রুকুতে ছিলেন। মূল বিষয় হলো কিবলা ও নামাজের অবস্থান। বর্ণনাটি ছোট হলেও এর মধ্যে নামাজের শৃঙ্খলা ও আল্লাহর নির্দেশের প্রতি মনোযোগের দিকটি বোঝা যায়। এখানে কোনো দীর্ঘ ঘটনা বলা হয়নি, তাই ব্যাখ্যাতেও অতিরিক্ত ঘটনা যোগ করা ঠিক হবে না। একজন মুসলিমের জন্য নামাজে কিবলার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। ফজরের নামাজ, রুকু এবং কিবলার নির্দেশ—এই তিনটি বিষয় এখানে একসাথে এসেছে। সহজভাবে বললে, নামাজ শুধু কিছু কাজের নাম নয়; এতে দিক, সময় ও অবস্থার প্রতি যত্ন থাকে। এই হাদিস কিবলা পরিবর্তনের আলোচনার সাথে যুক্ত হিসেবে পড়া হয়, তবে এখানে মূল বক্তব্য হলো রুকুর অবস্থায় থাকা মুসল্লিদের কথা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নামাজে কিবলার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা উচিত।
- ফজরের নামাজেও নিয়ম ও শৃঙ্খলার প্রতি যত্ন দরকার।
- হাদিস ছোট হলেও তা নামাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থার কথা জানায়।
- রুকু নামাজের একটি বড় অংশ, তাই এতে মনোযোগ থাকা দরকার।
