২/১৩২. অধ্যায়ঃ
মসজিদে পায়ে হেঁটে যাতায়াত
জামাআতে নামাজে যাওয়ার নিয়ম: স্থিরতা ও শৃঙ্খলার শিক্ষা
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৩২৯
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩২৯
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ .
ইবনু আবী ‘উমার হতে বর্ণিতঃ
ইবনু আবী উমর বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান হতে, তিনি যুহরী হতে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব হতে তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে, তিনি নবী (ﷺ) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩২৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় ইবনু আবী উমর, সুফিয়ান, যুহরী, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব হয়ে আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর অনুরূপ হাদিস এসেছে। যদিও এখানে পূর্ণ বক্তব্য আবার বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়নি, অনুরূপ বর্ণনা বলতে আগের শিক্ষাই বোঝানো হয়েছে—জামাআত শুরু হলে দৌড়ে বা তাড়াহুড়া করে নয়, শান্তভাবে নামাজে আসতে হবে। যতটুকু পাওয়া যায় তা আদায় করে, ছুটে যাওয়া অংশ পরে পূর্ণ করতে হবে। এই হাদিসের গুরুত্ব হলো, একই শিক্ষা একাধিক সনদে এসেছে। এতে বোঝা যায়, নামাজে যাওয়ার আদব শুধু ছোট বিষয় নয়; এটি মুসল্লির ভেতরের স্থিরতা, বাহ্যিক শৃঙ্খলা ও জামাআতের সম্মানের সাথে জড়িত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জামাআতের জন্য আগ্রহ থাকা ভালো, কিন্তু অস্থিরতা নয়।
- নামাজে যাওয়ার সময় স্থিরতা ও ভদ্রতা বজায় রাখা উচিত।
- ছুটে যাওয়া অংশ সালামের পরে পূর্ণ করার শিক্ষা আছে।
- একই মর্মের একাধিক বর্ণনা আমলটির গুরুত্ব বুঝতে সাহায্য করে।
