২/১১১. অধ্যায়ঃ
সালাম খুব লম্বা করে টানবে না, এটাই সুন্নত
সালামে হযফ: নামাজের শেষে সংযত উচ্চারণ
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২৯৭
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২৯৭
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، وَهِقْلُ بْنُ زِيَادٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ قُرَّةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ حَذْفُ السَّلاَمِ سُنَّةٌ . قَالَ عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ يَعْنِي أَنْ لاَ تَمُدَّهُ مَدًّا . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَهُوَ الَّذِي يَسْتَحِبُّهُ أَهْلُ الْعِلْمِ وَرُوِيَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ النَّخَعِيِّ أَنَّهُ قَالَ التَّكْبِيرُ جَزْمٌ وَالسَّلاَمُ جَزْمٌ . وَهِقْلٌ يُقَالُ كَانَ كَاتِبَ الأَوْزَاعِيِّ .
আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
সালামের মধ্যে হযফ করা সুন্নাত।
যঈফ, আবু দাউদ ১৭৯।আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। আলী ইবন হুজর বলেন, ইবনুল মুবারক বলেছেন, ‘হযফের’ তাৎপয হল সালাম খুব লম্বা করে না টেনে বরং স্বাভাবিক অবস্থায় রাখা। বিশেষজ্ঞগন এ নিয়মকে মুস্তাহাব বলেছেন। ইব্রাহিম নাখঈ বলেছেন, তাকবীর এবং সালাম অধিক্ষন টানবে না। রাবী হিকল সম্পর্কে বলা হয়, তিনি ইমাম আওযায়ীর সচিব ছিলেন।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৯৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো সালামের উচ্চারণে সংযম। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, সালামের মধ্যে হযফ করা সুন্নত। বর্ণনায় ব্যাখ্যা এসেছে, অর্থাৎ সালামকে অযথা লম্বা করে টেনে না বলা। নামাজে সালাম ফিরানো শেষ অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এই কাজেও আদব আছে—শব্দ বলা হবে, কিন্তু অপ্রয়োজনীয়ভাবে দীর্ঘ করা হবে না। সহজভাবে বললে, নামাজের সালাম পরিষ্কার, স্বাভাবিক এবং সংযতভাবে বলা উচিত। যারা সালাম ফিরানোর উচ্চারণ, নামাজে তাসলিমের নিয়ম বা সালাম কতটা লম্বা করে বলবেন—এসব জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস সরাসরি উত্তর দেয়। এটি অতিরঞ্জন নয়, বরং নামাজের শান্ত ও সুশৃঙ্খল পাঠের শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাম অযথা টেনে না বলা সুন্নত হিসেবে এসেছে।
- নামাজের শেষ উচ্চারণেও সংযম দরকার।
- সালাম পরিষ্কার ও স্বাভাবিকভাবে বলা উচিত।
- ছোট একটি নির্দেশ নামাজের আদবকে সুন্দর করে।
