৩৯/৫. অধ্যায়ঃ

জ্ঞান উঠে যাওয়া প্রসঙ্গে

জামে তিরমিযীহাদিস নম্বর ২৬৫৩

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَشَخَصَ بِبَصَرِهِ إِلَى السَّمَاءِ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ هَذَا أَوَانٌ يُخْتَلَسُ الْعِلْمُ مِنَ النَّاسِ حَتَّى لاَ يَقْدِرُوا مِنْهُ عَلَى شَيْءٍ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ زِيَادُ بْنُ لَبِيدٍ الأَنْصَارِيُّ كَيْفَ يُخْتَلَسُ مِنَّا وَقَدْ قَرَأْنَا الْقُرْآنَ فَوَاللَّهِ لَنَقْرَأَنَّهُ وَلَنُقْرِئَنَّهُ نِسَاءَنَا وَأَبْنَاءَنَا ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ ثَكِلَتْكَ أُمُّكَ يَا زِيَادُ إِنْ كُنْتُ لأَعُدُّكَ مِنْ فُقَهَاءِ أَهْلِ الْمَدِينَةِ هَذِهِ التَّوْرَاةُ وَالإِنْجِيلُ عِنْدَ الْيَهُودِ وَالنَّصَارَى فَمَاذَا تُغْنِي عَنْهُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ جُبَيْرٌ فَلَقِيتُ عُبَادَةَ بْنَ الصَّامِتِ قُلْتُ أَلاَ تَسْمَعُ إِلَى مَا يَقُولُ أَخُوكَ أَبُو الدَّرْدَاءِ فَأَخْبَرْتُهُ بِالَّذِي قَالَ أَبُو الدَّرْدَاءِ قَالَ صَدَقَ أَبُو الدَّرْدَاءِ إِنْ شِئْتَ لأُحَدِّثَنَّكَ بِأَوَّلِ عِلْمٍ يُرْفَعُ مِنَ النَّاسِ الْخُشُوعُ يُوشِكُ أَنْ تَدْخُلَ مَسْجِدَ جَمَاعَةٍ فَلاَ تَرَى فِيهِ رَجُلاً خَاشِعًا ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَمُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ ثِقَةٌ عِنْدَ أَهْلِ الْحَدِيثِ وَلاَ نَعْلَمُ أَحَدًا تَكَلَّمَ فِيهِ غَيْرَ يَحْيَى بْنِ سَعِيِدٍ الْقَطَّانِ وَقَدْ رُوِيَ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ نَحْوُ هَذَا ‏.‏ وَرَوَى بَعْضُهُمْ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَوْفِ بْنِ مَالِكٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

আবুদ দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে ছিলাম। তিনি আকাশের দিকে তাকালেন, তারপর বললেন: এই সময়ে মানুষের কাছ থেকে ইলমকে ছিনিয়ে নেয়া হবে, এমনকি এ সম্পর্কে তাদের কোনো সামর্থ্যই থাকবে না।যিয়াদ ইবন লাবীদ আনসারি (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, আমাদের নিকট হতে কিভাবে ইলম ছিনিয়ে নেয়া হবে, অথচ আমরা কুরআন তিলাওয়াত করি? আল্লাহর কসম! অবশ্যই আমরা তা তিলাওয়াত করব এবং আমাদের স্ত্রীদের ও সন্তানদেরকেও তা শিখাব। তিনি বললেন: হে যিয়াদ! তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলুক, আমি তো তোমাকে মদিনার অন্যতম জ্ঞানী ব্যক্তি বলেই গণ্য করতাম! এই তো ইয়াহুদি-নাসারাদের নিকট তাওরাত ও ইনজিল রয়েছে, তা তাদের কী কাজে লেগেছে?জুবাইর (রাঃ) বলেন, তারপর আমি উবাদা ইবন সামিত (রাঃ)-এর সাথে দেখা করে বললাম, আপনার ভাই আবু দারদা (রাঃ) কী বলছেন তা আপনি শুনতে পাননি? আমি তার নিকট আবু দারদা (রাঃ) যা বলেছেন তা বললাম। আবু দারদা (রাঃ) ঠিকই বলেছেন। তুমি চাইলে আমি তোমাকে একটি কথা বলতে পারি। ইলমের যে বস্তুটি সর্বপ্রথম মানুষের কাছ থেকে তুলে নেয়া হবে তা হল বিনয়। খুব শীঘ্রই তুমি কোনো জামে মসজিদে গিয়ে হয়তো দেখবে যে, একজন লোকও সেখানে বিনয়াবনত নয়।

সহীহঃ তাখরীজু ইক্বতিযায়িল ইল্‌মি আল-আমাল (৮৯)আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব । হাদীসবিশারদগণের মতে মু‘আবিয়াহ্ ইবনু সালিহ একজন নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী । ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা‘ঈদ আল-কাত্তান ব্যতীত অন্য কেউ তার সমালোচনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই । মু‘আবিয়াহ্ ইবনু সালিহ হতেও এ রকম হাদীস বর্ণিত আছে । কোন কোন বর্ণনাকারী এই হাদীস ‘আবদুর রাহমান ইবনু জুবাইর ইবনু নুফাইর হতে, তিনি তার বাবা হতে, তিনি ‘আওফ ইবনু মালিক (রাঃ)-এর বরাতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন