৩৮/৯. অধ্যায়ঃ

নামাজ ত্যাগের পরিণতি

নামাজ ত্যাগ: ঈমান ও কুফরের মধ্যকার ভয়ংকর সীমা

জামে তিরমিযীহাদিস নম্বর ২৬১৮

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، وَأَبُو مُعَاوِيَةَ عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ بَيْنَ الْكُفْرِ وَالإِيمَانِ تَرْكُ الصَّلاَةِ ‏"‏ ‏.‏

জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেছেনঃ কুফর ও ঈমানের মধ্যে পার্থক্য হল নামাজ ত্যাগ করা।

সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (১০৭৮), মুসলিম।

জামে তিরমিযী হাদিস ২৬১৮-এর সারসংক্ষেপ

এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে নামাজ ত্যাগের ভয়াবহতা অত্যন্ত শক্ত ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, কুফর ও ঈমানের মধ্যকার পার্থক্য হলো নামাজ ছেড়ে দেওয়া। সালাত ইসলামের সাধারণ কোনো ঐচ্ছিক কাজ নয়; এটি মুসলিম জীবনের নিয়মিত ও প্রধান ইবাদত। তাই ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ ত্যাগ করা ঈমানের জন্য বড় বিপদের কারণ। হাদিসের উদ্দেশ্য হলো মানুষকে সালাতের ব্যাপারে উদাসীন না হতে দেওয়া। কোনো ব্যক্তি কখন কুফরের নির্দিষ্ট বিধানের আওতায় পড়বে—এটি বিচার, কারণ, অস্বীকার ও ব্যক্তির অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত গুরুতর ফিকহি বিষয়। ইসলামী স্কলারদের মতে, সাধারণ মানুষ এই হাদিসের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট কাউকে নিজে থেকে কাফির ঘোষণা করবে না। বরং নিজের নামাজ ঠিক করা এবং অন্যকে শান্তভাবে সালাতের দিকে ডাকা উচিত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সালাত ঈমানি জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত।
  • ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ ত্যাগ করার বিষয়ে কঠোর সতর্কতা এসেছে।
  • হাদিসটি নিজের সালাত ঠিক করার জন্য গভীরভাবে ভাবতে বলে।
  • নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে কাফির ঘোষণা করা সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত কাজ নয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন