২৬/৩৫. অধ্যায়ঃ

(জ্বর পৃথিবীতে মুমিন গুনাহগারের শাস্তি)

জ্বরের কাফফারা: সালাফদের দৃষ্টিতে রোগের শিক্ষা

জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২০৮৯

.‏ حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانَ عَنِ الْحَسَنِ قَالَ كَانُوا يَرْتَجُونَ الْحُمَّى لَيْلَةً كَفَّارَةً لِمَا نَقَصَ مِنَ الذُّنُوبِ ‏.‏ تَمَّ كِتَابُ الطِّبِّ وَيَلِيهِ كِتَابُ الْفَرَائِضِ

হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

গুনাহের কারণে তাদের মর্যাদার ঘাটতি পূরণের কাফ্‌ফারা স্বরূপ তারা এক রাত জ্বরের আকাঙ্খা করত।

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২০৮৯-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনার মূল বিষয় হলো জ্বর ও কাফফারা। এখানে বলা হয়েছে, তারা গুনাহের কারণে মর্যাদার যে ঘাটতি হয় তা পূরণের কাফফারা হিসেবে এক রাত জ্বরের আশা করতেন। এটি সরাসরি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর উক্তি হিসেবে নয়, বরং হাসান (রহঃ)-এর সূত্রে একটি বক্তব্য হিসেবে এসেছে। তাই এর ব্যাখ্যায় সতর্ক থাকা দরকার। বর্ণনাটি দেখায়, আগের নেককাররা অসুস্থতাকে শুধু কষ্ট হিসেবে দেখতেন না; বরং তা আল্লাহর কাছে ফিরে আসা, ধৈর্য ধরা এবং গুনাহের ক্ষতি নিয়ে ভাবার সুযোগ মনে করতেন। তবে নিজে অসুস্থতা কামনা করা সাধারণ নির্দেশ নয়। মূল শিক্ষা হলো রোগ এলে ধৈর্য, দোয়া ও তাওবার দিকে মন দেওয়া।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • রোগের কষ্ট মানুষকে তাওবা ও ধৈর্যের কথা মনে করাতে পারে।
  • জ্বরকে কাফফারার কারণ হিসেবে দেখা হয়েছে।
  • বর্ণনার ধরন বুঝে তা থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন