২৬/২৮. অধ্যায়ঃ
নিউমোনিয়া বা ফুসফুসের প্রদাহের ঔষধ
কুস্ত বাহরী ও যাইতুনের তেল: নিউমোনিয়ার চিকিৎসা প্রসঙ্গ
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২০৭৯
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২০৭৯
حَدَّثَنَا رَجَاءُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعُذْرِيُّ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي رَزِينٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، حَدَّثَنَا مَيْمُونٌ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ سَمِعْتُ زَيْدَ بْنَ أَرْقَمَ، قَالَ أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ نَتَدَاوَى مِنْ ذَاتِ الْجَنْبِ بِالْقُسْطِ الْبَحْرِيِّ وَالزَّيْتِ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ صَحِيحٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ مَيْمُونٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ . وَقَدْ رَوَى عَنْ مَيْمُونٍ غَيْرُ وَاحِدٍ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ هَذَا الْحَدِيثَ . وَذَاتُ الْجَنْبِ السُّلُّ .
যাইদ ইবনু আরকাম (রা:) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে কুস্ত বাহরী (চন্দন কাঠ) ও যাইতুনের তেল দিয়ে নিউমোনিয়ার চিকিৎসা করার নির্দেশ (পরামর্শ) দিয়েছেন। দুর্বল, দেখুন পূর্বের হাদিস
আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব সহীহ। মাইমূন হতে যাইদ ইবনু আরকাম (রা:) সূত্রেই শুধুমাত্র আমরা এ হাদীস প্রসঙ্গে জেনেছি। মাইমূন হতে একাধিক রাবী এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। “যাতুল জানব” অর্থ “আস-সিল্লু” (ফুসফুসের প্রদাহ, যদ্দরুন রোগী দুর্বল হয়ে যায়)।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২০৭৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ফুসফুসের প্রদাহ বা নিউমোনিয়া প্রসঙ্গে কুস্ত বাহরী ও যাইতুনের তেলের কথা এসেছে। বর্ণনায় বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم এ রোগে এগুলো দিয়ে চিকিৎসা করার নির্দেশ বা পরামর্শ দিয়েছেন। পাঠ্যে হাদিসের মান নিয়ে দুর্বলতার উল্লেখও আছে, তাই ব্যাখ্যায় সতর্ক থাকা প্রয়োজন। আমরা শুধু এতটুকুই বলতে পারি যে বর্ণনায় এই দুই উপাদানের কথা এসেছে। এটি থেকে বোঝা যায়, ইসলামে চিকিৎসা গ্রহণের গুরুত্ব আছে এবং প্রাকৃতিক উপাদানও চিকিৎসার উপায় হতে পারে। তবে কোনো রোগে কীভাবে চিকিৎসা হবে, তা বাস্তব অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত। হাদিসের ভাষার বাইরে নিশ্চিত দাবি করা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বর্ণনায় কুস্ত বাহরী ও যাইতুনের তেলের কথা এসেছে।
- চিকিৎসা গ্রহণ করা ইসলামের শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- দুর্বলতার উল্লেখ থাকায় অতিরঞ্জিত দাবি করা উচিত নয়।
