২৬/৭. অধ্যায়ঃ
বিষপানে বা অন্যকিছু প্রয়োগে আত্মহত্যা করলে
খারাপ ওষুধের হাদিস: বিষজাতীয় চিকিৎসা থেকে সতর্কতা
জামে তিরমিযী : ২০৪৫
জামে তিরমিযীহাদিস নম্বর ২০৪৫
حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ يُونُسَ بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الدَّوَاءِ الْخَبِيثِ . قَالَ أَبُو عِيسَى يَعْنِي السُّمَّ .
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খারাপ ঔষধ প্রয়োগ করতে নিষেধ করেছেন।
সহীহ, ইবনু মাজাহ (৩৪৫৯)।আবূ ঈসা বলেন, হারাম ঔষধ। এর অর্থ বিষ।
জামে তিরমিযী হাদিস ২০৪৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের কোর টপিক হলো হারাম বা ক্ষতিকর ওষুধ। আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) খারাপ ওষুধ ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। বর্ণনায় আবু ঈসা বলেন, এর দ্বারা বিষ বোঝানো হয়েছে। তাই হাদিসটি চিকিৎসার নামে ক্ষতিকর জিনিস ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করে। অসুস্থ হলে চিকিৎসা করা দরকার, কিন্তু চিকিৎসা এমন হওয়া উচিত নয় যা নিজেই ক্ষতির কারণ হয়। এই হাদিসের আলোকে মূল শিক্ষা হলো, চিকিৎসার উপায় বাছাইয়ে সতর্ক হওয়া এবং এমন কিছু না নেওয়া যা দেহের জন্য খারাপ বা প্রাণঘাতী হতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- চিকিৎসার নামে ক্ষতিকর জিনিস ব্যবহার করা ঠিক নয়।
- বিষজাতীয় জিনিসকে ওষুধ ভাবার আগে সতর্ক হতে হবে।
- শরীরের ক্ষতি হয় এমন চিকিৎসা থেকে দূরে থাকা দরকার।
