২৫/৫২. অধ্যায়ঃ
মুসলমানদের গালি দেয়া
মুসলমানকে গালি দেওয়া ফাসিকী: গুরুত্বপূর্ণ হাদিস
জামে‘ আত-তিরমিযী : ১৯৮৩
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১৯৮৩
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ زُبَيْدِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " سِبَابُ الْمُسْلِمِ فُسُوقٌ وَقِتَالُهُ كُفْرٌ " . قَالَ زُبَيْدٌ قُلْتُ لأَبِي وَائِلٍ أَأَنْتَ سَمِعْتَهُ مِنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ نَعَمْ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ মুসলমানকে গালি দেওয়া ফাসিকী ও নাফরমানীমূলক কাজ এবং তাকে মেরে ফেলা বা তার বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করা কুফরীমূলক কাজ।
সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৬৯) , বুখারী ও মূসলিম।অধঃস্তন বর্ণনাকারী যুবাইদ বলেন, আবূ ওয়াইলকে আমি প্রশ্ন করলাম, আপনি এ হাদীসটি কি আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ)-এর নিকট সরাসরি শুনেছেন? তিনি বলেন, হ্যাঁ।আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি সহীহ্।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৯৮৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় মুসলমানকে গালি দেওয়ার ভয়াবহতা। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, মুসলমানকে গালি দেওয়া ফাসিকী ও নাফরমানীমূলক কাজ। আর তাকে হত্যা করা বা তার বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করা কুফরীমূলক কাজ। তাই মুসলমানকে গালি দেওয়া হাদিস শুধু মুখের কথার বিষয় নয়; এটি মানুষের সম্মান, নিরাপত্তা ও ভ্রাতৃত্বের কথা বলে। একজন মুসলিমের কথা এমন হওয়া উচিত, যা অন্য মুসলিমকে অপমান না করে। ঝগড়া, রাগ বা মতভেদ থাকলেও গালি ও সহিংসতা ইসলামের পথে নয়। এই হাদিস আমাদের সতর্ক করে যে, ভাষার ভুল ব্যবহারও গুরুতর গুনাহের দিকে নিতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুসলমানকে গালি দেওয়া ফাসিকী কাজ।
- মুসলমানের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করা গুরুতর অপরাধ।
- মতভেদ হলেও অপমানজনক ভাষা ব্যবহার করা ঠিক নয়।
- মুসলিম সমাজে সম্মান ও নিরাপত্তা রক্ষা জরুরি।
