২২/৪১. অধ্যায়ঃ
লুঙ্গির সর্বনিম্ন সীমা
লুঙ্গি-পায়জামার সঠিক দৈর্ঘ্য ও টাখনুর সীমা
জামে‘ আত-তিরমিযী : ১৭৮৩
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১৭৮৩
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ نَذِيرٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ أَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِعَضَلَةِ سَاقِي أَوْ سَاقِهِ فَقَالَ " هَذَا مَوْضِعُ الإِزَارِ فَإِنْ أَبَيْتَ فَأَسْفَلُ فَإِنْ أَبَيْتَ فَلاَ حَقَّ لِلإِزَارِ فِي الْكَعْبَيْنِ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . رَوَاهُ الثَّوْرِيُّ وَشُعْبَةُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ .
হুযাইফা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার বা তাঁর জঙ্ঘা (হাঁটুর নিচের মাংসপেশী) ধরে বলেন: এটা হল লুঙ্গি বা পায়জামার জায়গা। তুমি না মানতে চাইলে আরও নিচে নামাতে পার। যদি তাও মানতে রাজী না হও তবে জেনে রাখ, লুঙ্গি-পায়জামার পায়ের গোছা স্পর্শ করার কোন অধিকার নেই।
সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (৩৫৭২)এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন। এ হাদীসটি আবূ ইসহাকের সূত্রে শুবা এবং সুফিয়ান সাওরীও বর্ণনা করেছেন।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৭৮৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) লুঙ্গি বা পায়জামা কোথায় রাখা উচিত, তা শরীরের অংশ দেখিয়ে বুঝিয়েছেন। প্রথমে তিনি জঙ্ঘার মাংসপেশীর জায়গা দেখান। কেউ সেখানে রাখতে না চাইলে আরও নিচে নামানোর সুযোগের কথা বলেন। কিন্তু শেষ সীমা হিসেবে স্পষ্ট করেন যে পোশাকের নিচের অংশ টাখনু স্পর্শ করার অধিকার রাখে না। তাই হাদিসটির মূল শিক্ষা হলো পুরুষের লুঙ্গি-পায়জামার দৈর্ঘ্য সম্পর্কে সচেতন থাকা। বক্তব্যটি ধাপে ধাপে বলা হয়েছে, যাতে অনুসরণ করা সহজ হয়। এখানে মূল লক্ষ্য পোশাকের নিচের সীমা বোঝানো; অহংকার, সামাজিক মর্যাদা বা অন্য কোনো আলাদা বিষয় এই নির্দিষ্ট বর্ণনায় বিস্তারিত বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যাও লুঙ্গি-পায়জামার অবস্থান ও টাখনুর সীমার মধ্যেই রাখা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- লুঙ্গি-পায়জামা জঙ্ঘার মাঝামাঝি রাখা উত্তমভাবে বোঝানো হয়েছে
- প্রয়োজনে কিছু নিচে নামানোর সুযোগ বর্ণনায় আছে
- টাখনু পর্যন্ত নামানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে
