২২/১. অধ্যায়ঃ
(পুরুষের) রেশমী পোশাক ও স্বর্ণালংকার ব্যবহার
রেশমি পোশাক: কতটুকু ব্যবহারের অনুমতি আছে
জামে‘ আত-তিরমিযী : ১৭২১
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১৭২১
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ سُوَيْدِ بْنِ غَفَلَةَ، عَنْ عُمَرَ، أَنَّهُ خَطَبَ بِالْجَابِيَةِ فَقَالَ نَهَى نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْحَرِيرِ إِلاَّ مَوْضِعَ أُصْبُعَيْنِ أَوْ ثَلاَثٍ أَوْ أَرْبَعٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি জাবিয়া নামক জায়গায় ভাষণ দানের সময় বলেন, দুই, তিন অথবা চার আঙুলের বেশি পরিমাণ রেশমী পোশাক ব্যবহার করতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বারণ করেছেন।
সহীহ্, মুসলিমএ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৭২১-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়—রেশমি পোশাক। এই হাদিসে উমর (রাঃ) জাবিয়ায় ভাষণ দেওয়ার সময় রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর একটি নিষেধের কথা জানান। বেশি পরিমাণ রেশমি পোশাক ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে দুই, তিন অথবা চার আঙুল পরিমাণ ছোট অংশের কথা আলাদা করে বলা হয়েছে। অর্থাৎ পোশাকের মূল অংশ রেশমের না হলেও সীমিত জায়গায় রেশমের কাজ বা পাড় থাকতে পারে—হাদিসের ভাষা এতটুকুই বোঝায়। এখানে মূল শিক্ষা হলো পোশাক বাছাইয়ে নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ মানা এবং অনুমতির সীমা অতিক্রম না করা। রেশমি পোশাকের বিধান জানতে গিয়ে এই নির্দিষ্ট পরিমাণটি মনে রাখা জরুরি। হাদিসটি বিলাসিতা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেনি; বরং একটি পরিষ্কার পোশাকসংক্রান্ত সীমা জানিয়েছে। এই সীমা মেনে পোশাক তৈরি বা কেনার সময় কাপড়ের উপাদান ভালোভাবে যাচাই করা একটি বাস্তব সতর্কতা হতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বেশি পরিমাণ রেশমি পোশাক ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।
- দুই, তিন বা চার আঙুল পরিমাণ সীমিত অংশের ব্যতিক্রম হাদিসে উল্লেখ আছে।
- পোশাকের নকশা বা পাড়ে রেশম থাকলে তার পরিমাণ সম্পর্কে সতর্ক থাকা দরকার।
