১৩/২০. অধ্যায়ঃ
রাস্তা বানানোর ক্ষেত্রে (এর প্রশস্ততার পরিমাণ নিয়ে মতের অমিল হলে)
রাস্তার প্রশস্ততা সাত হাত রাখার নববী নির্দেশ
জামে‘ আত-তিরমিযী : ১৩৫৫
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১৩৫৫
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنِ الْمُثَنَّى بْنِ سَعِيدٍ الضُّبَعِيِّ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اجْعَلُوا الطَّرِيقَ سَبْعَةَ أَذْرُعٍ " .
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ সাত হাত প্রশস্ত করে রাস্তা তৈরী কর।
সহীহ্, ইবনু মা-জাহ- (২৩৩৮)
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৩৫৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাস্তা তৈরির ক্ষেত্রে সাত হাত প্রশস্ত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কথাটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এতে জনসাধারণের চলাচল ও পথের অধিকার রক্ষার একটি স্পষ্ট মানদণ্ড পাওয়া যায়। রাস্তা খুব সংকীর্ণ হলে মানুষ, বাহন বা মালপত্র চলাচলে সমস্যা হতে পারে এবং প্রতিবেশীদের মধ্যে বিরোধও তৈরি হতে পারে। তাই নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রশস্ততা রাখা যৌথ সুবিধার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসটি ব্যক্তিগত জমির সীমা নির্ধারণের সময়ও জনপথের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিতে শেখায়। কারও সুবিধার জন্য এমনভাবে রাস্তা সংকুচিত করা উচিত নয় যাতে অন্যদের চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। তবে বর্ণনায় শুধু সাত হাতের নির্দেশ আছে; আধুনিক রাস্তার সব নকশা বা আইন এই এক বাক্য থেকে নির্ধারণ করা যাবে না। মূল শিক্ষা হলো, পথ নির্ধারণে মানুষের ব্যবহার, ন্যায় এবং বিরোধ এড়ানোকে সামনে রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাস্তা নির্ধারণে সাত হাত প্রশস্ততার নির্দেশ এসেছে।
- জনসাধারণের চলাচলের সুবিধা বিবেচনা করা দরকার।
- ব্যক্তিগত স্বার্থে পথ অযথা সংকুচিত করা উচিত নয়।
- রাস্তার সীমা স্পষ্ট হলে প্রতিবেশী বিরোধ কমতে পারে।
