১৩/১৩. অধ্যায়ঃ
সাক্ষীর সাথে সাথে শপথও করানো
সাক্ষী ও শপথে ন্যায়সঙ্গত মোকদ্দমা মীমাংসা
জামে‘ আত-তিরমিযী : ১৩৪৪
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১৩৪৪
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ أَبَانَ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَضَى بِالْيَمِينِ مَعَ الشَّاهِدِ .
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একজন সাক্ষী ও শপথের উপর নির্ভর করে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মোকদ্দমার সমাধান করেছেন।
সহীহ্, দেখুন পূর্বের হাদীস
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৩৪৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে খুব সংক্ষেপে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক ঘটনা বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم একজন সাক্ষী ও শপথের ওপর নির্ভর করে মোকদ্দমার সমাধান করেছেন। এতে বোঝা যায়, সাক্ষ্য ও শপথ বিরোধ মীমাংসার বাস্তব উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। একজন সাক্ষী কোনো ঘটনার পক্ষে তথ্য দেন, আর শপথ সেই বক্তব্য বা দাবির দায়িত্বকে আরও দৃঢ় করে। হাদিসের ভাষা ছোট হলেও এর মূল শিক্ষা স্পষ্ট: বিচার করতে হলে বক্তব্য যাচাইয়ের ব্যবস্থা দরকার। শুধু আবেগ, সম্পর্ক বা অনুমান দিয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত নয়। সাক্ষী ও শপথের এই সমন্বয় ন্যায়বিচারের প্রতি গুরুত্ব দেখায়। তবে বর্ণনায় যে সীমিত তথ্য আছে, তার বাইরে মামলার ধরন বা বিস্তারিত শর্ত যোগ করা ঠিক হবে না। তাই এই হাদিসকে সাক্ষ্য, শপথ ও ন্যায়সঙ্গত বিচারপ্রক্রিয়ার একটি সরাসরি উদাহরণ হিসেবে বুঝতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাক্ষী ও শপথ একসঙ্গে মোকদ্দমার সিদ্ধান্তে ভূমিকা রাখতে পারে।
- বিচারে অনুমানের বদলে যাচাইযোগ্য উপাদান দরকার।
- বিরোধ মীমাংসায় দায়িত্বশীল সাক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ।
- হাদিসের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের বাইরে বাড়তি শর্ত আরোপ করা উচিত নয়।
