১/৯৪. অধ্যায়ঃ
ইস্তিহাজার রোগিণী প্রতি ওয়াক্তে ওজু করবে
ইস্তিহাযার ওজু: নামাজ ও রোজার সহজ বিধান
জামে‘ আত-তিরমিযী : ১২৬
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১২৬
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ أَبِي الْيَقْظَانِ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ " تَدَعُ الصَّلاَةَ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا الَّتِي كَانَتْ تَحِيضُ فِيهَا ثُمَّ تَغْتَسِلُ وَتَتَوَضَّأُ عِنْدَ كُلِّ صَلاَةٍ وَتَصُومُ وَتُصَلِّي " .
‘আদী ইবনু সাবিত (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তাঁর পিতা ও দাদার সূত্রে হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) ইস্তিহাজার রোগিণী সম্পর্কে বলেনঃ ইতোপূর্বে সে যে কয়দিন ঋতুবতী থাকতো ততদিন নামাজ ছেড়ে দেবে; অতঃপর গোসল করবে এবং প্রত্যেক নামাজের সময় নতুন করে ওজু করবে এবং রোজা রাখবে ও নামাজ আদায় করবে।
সহীহ্। ইবনু মাজাহ-(৬২৫)।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১২৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইস্তিহাযার রোগিণীর জন্য একটি পরিষ্কার নিয়ম বলা হয়েছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেন, আগে যে কয়দিন ঋতুবতী থাকত, সেই দিনগুলোতে নামাজ ছেড়ে দেবে। এরপর গোসল করবে। তারপর প্রত্যেক নামাজের সময় নতুন করে ওজু করবে, রোজা রাখবে এবং নামাজ আদায় করবে। এখানে মূল বিষয় হলো নিয়মিত অভ্যাস অনুযায়ী হায়েজের দিন নির্ধারণ করা। ইস্তিহাযার রক্ত চলতে থাকলেও তা সব সময় হায়েজের মতো ধরা হবে না। হায়েজের পরিচিত দিন শেষ হলে নারী পবিত্রতার ব্যবস্থা করবে এবং ইবাদতে ফিরবে। এই হাদিস নারীদের জন্য ইস্তিহাযা হলে নামাজ ও রোজার বিষয়ে দুশ্চিন্তা কমায় এবং একটি সহজ পথ দেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আগের অভ্যাস অনুযায়ী হায়েজের দিনগুলো আলাদা করা হবে।
- হায়েজের দিন শেষ হলে গোসল করে ইবাদতে ফিরতে হবে।
- ইস্তিহাযায় প্রত্যেক নামাজের সময় ওজুর নির্দেশ এসেছে।
- ইস্তিহাযা চললেও রোজা ও নামাজ আদায় করা যাবে।
