১০/৩১. অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি কাতার মিলায়
নামাজের কাতার মিলানো ও ফাঁক বন্ধ করার গুরুত্ব
সুনানে আন-নাসায়ী : ৮১৯
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৮১৯
أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَثْرُودٍ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ أَبِي الزَّاهِرِيَّةِ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ وَصَلَ صَفًّا وَصَلَهُ اللَّهُ، وَمَنْ قَطَعَ صَفًّا قَطَعَهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ»
আবদুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি কাতার মিলায় আল্লাহ তার সাথে সম্পর্ক রাখেন, আর যে ব্যক্তি কাতার বিচ্ছিন্ন করে আল্লাহ তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৮১৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কাতার মিলানো ও কাতার বিচ্ছিন্ন করার ফল খুব সংক্ষিপ্ত কিন্তু জোরালো ভাষায় বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেন, যে ব্যক্তি একটি কাতার যুক্ত করে, আল্লাহ তার সঙ্গে সম্পর্ক রাখেন। আর যে ব্যক্তি কাতার বিচ্ছিন্ন করে, আল্লাহ তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন। তাই হাদিসটির মূল বিষয় “নামাজের কাতার মিলানো” এবং “কাতারের ফাঁক বন্ধ করা”। এখানে সম্পর্কের বাক্যটি হাদিসের ভাষা অনুযায়ীই রাখা উচিত; নিজের পক্ষ থেকে এর নির্দিষ্ট দুনিয়াবি ফল বা সময়সীমা বানিয়ে বলা যাবে না। বাস্তব শিক্ষা হলো, মুসল্লি এমনভাবে দাঁড়াবে যাতে কাতার যুক্ত থাকে এবং অপ্রয়োজনে ফাঁক বা বিচ্ছিন্নতা তৈরি না হয়। অন্য বর্ণনার প্রসঙ্গ না এনে এই হাদিস থেকে এতটুকুই স্পষ্ট—কাতার সংযুক্ত রাখা প্রশংসিত, আর তা ভেঙে দেওয়া কঠোরভাবে নিন্দিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কাতার যুক্ত করার জন্য আল্লাহর সম্পর্কের সুসংবাদ এসেছে।
- কাতার বিচ্ছিন্ন করার বিষয়ে কঠোর সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।
- মুসল্লির উচিত কাতারের ফাঁক পূরণ করে সংযুক্তভাবে দাঁড়ানো।
- হাদিসে নির্দিষ্ট অতিরিক্ত ফল নয়, সম্পর্ক রাখা ও ছিন্ন করার ভাষাই এসেছে।
