১/১৮৮. অধ্যায়ঃ
কাপড় থেকে বীর্য তুলে ফেলা
নবী صلى الله عليه وسلم-এর কাপড় থেকে বীর্য পরিষ্কার: ঘষে তোলার হাদিস
সুনানে নাসাঈ : ২৯৮
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ২৯৮
أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ حُرَيْثٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ هَمَّامٍ، عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: «كُنْتُ أَفْرُكُهُ مِنْ ثَوْبِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ»
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি নবী (ﷺ)-এর কাপড় থেকে তা (বীর্য) ঘষে তুলে ফেলতাম।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ২৯৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বলেন, তিনি নবী صلى الله عليه وسلم-এর কাপড় থেকে তা, অর্থাৎ বীর্য, ঘষে তুলে ফেলতেন। এখানে কাপড় পরিষ্কার করার একটি সহজ পদ্ধতির কথা এসেছে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, পবিত্রতা মানে অযথা ভয় বা অতিরিক্ত সন্দেহ নয়; যা লেগেছে তা দূর করা। বর্ণনায় ধোয়ার কথা নয়, ঘষে তোলার কথা এসেছে। তবে এই হাদিসের বাইরে গিয়ে সব অবস্থার জন্য একই কথা জোর করে বলা ঠিক নয়; ভেজা-শুকনা অবস্থা নিয়ে ইসলামী স্কলাররা বিস্তারিত আলোচনা করেন। এই নির্দিষ্ট বর্ণনায় মূল বিষয় হলো, দৃশ্যমান অংশ সরিয়ে কাপড় পরিষ্কার করা। সালাতের জন্য কাপড়ের পবিত্রতা গুরুত্বপূর্ণ, আর নবী صلى الله عليه وسلم-এর ঘরের আমল থেকেই এর সহজ রূপ বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কাপড় থেকে বীর্য ঘষে তুলে ফেলার পদ্ধতি এসেছে।
- পবিত্রতা রক্ষায় দৃশ্যমান নাপাকি দূর করা জরুরি।
- অতিরিক্ত সন্দেহের বদলে বাস্তবভাবে পরিষ্কার করা উচিত।
- হাদিসের নির্দিষ্ট ভাষার বাইরে বাড়তি দাবি না করা ভালো।
