১২/৩০. অধ্যায়ঃ
কুনূতে অভিসম্পাত করা
কুনুতে নাজিলা কতদিন: এক মাস পড়ে পরে ত্যাগ
সুনানে আন-নাসায়ী : ১০৭৭
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১০৭৭
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، ح وَهِشَامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَنَتَ شَهْرًا ـ قَالَ شُعْبَةُ: لَعَنَ رِجَالًا، وَقَالَ هِشَامٌ: يَدْعُو عَلَى أَحْيَاءٍ مِنْ أَحْيَاءِ الْعَرَبِ، ثُمَّ تَرَكَهُ بَعْدَ الرُّكُوعِ، هَذَا قَوْلُ هِشَامٍ ـ وَقَالَ شُعْبَةُ: عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَنَتَ شَهْرًا يَلْعَنُ رِعْلًا، وَذَكْوَانَ، وَلِحْيَانَ»
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক মাস পর্যন্ত কুনূত পড়েন। শুবা বলেন, এতে তিনি কয়েকজন লোকের প্রতি অভিশাপ দেন। আর হিশাম বলেন, এতে তিনি আরবের কতিপয় সম্প্রদায়ের ওপর বদদোয়া করেন। আর তিনি এ কুনূত রুকুর পরে পড়েন। অতঃপর তা ত্যাগ করেন।আর অন্য এক বর্ণনায় আছে যে, নবি (ﷺ) এক মাস যাবৎ কুনূত পড়েন যাতে তিনি রিল, যাকওয়ান ও লিহইয়ান সম্প্রদায়ের ওপর অভিশাপ দেন।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১০৭৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কুনুতে নাজিলার সময়কাল এবং পরে তা ছেড়ে দেওয়ার কথা এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) এক মাস পর্যন্ত কুনুত পড়েছিলেন। এক বর্ণনাকারী বলেন, তিনি কয়েকজন লোকের প্রতি অভিশাপ দিয়েছিলেন; অন্য বর্ণনাকারী বলেন, আরবের কিছু গোত্রের বিরুদ্ধে দোয়া করেছিলেন। হিশামের ভাষ্যে কুনুত রুকুর পরে পড়া হয়েছে এবং পরে তা ত্যাগ করা হয়েছে। আরেক বর্ণনায় রিল, যাকওয়ান ও লিহইয়ান গোত্রের নাম এসেছে। তাই হাদিসটির মূল বার্তা হলো, একটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এক মাস কুনুত করা হয়েছিল, তারপর সেই কুনুত আর চালিয়ে যাওয়া হয়নি। এখানে ‘ত্যাগ’ কথাটি বর্ণিত বিশেষ কুনুতের ধারাবাহিকতার সঙ্গে যুক্ত। হাদিসে ঘটনা কেন ঘটেছিল বা পরের বিস্তারিত ফল কী হয়েছিল, তা বলা নেই।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) এক মাস পর্যন্ত কুনুত পড়েছেন।
- কুনুত রুকুর পরে পড়ার বর্ণনা এসেছে।
- নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা আরব গোত্রের বিরুদ্ধে দোয়া করা হয়েছিল।
- এক মাস পর বর্ণিত কুনুতটি ত্যাগ করা হয়েছে।
