২০/২৯. অধ্যায়ঃ
ইহরাম অবস্থায় কি ধরনের কাজ করা জায়েয
ইহরামে উটের উকুন বের করা: উমার (রা)-এর ঘটনা ও সতর্কতা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৭৮৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৭৮৬
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ التَّيْمِيِّ عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ اللهِ بْنِ الْهُدَيْرِ أَنَّهُ رَأَى عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ يُقَرِّدُ بَعِيرًا لَهُ فِي طِينٍ بِالسُّقْيَا وَهُوَ مُحْرِمٌ قَالَ مَالِك وَأَنَا أَكْرَهُهُ.
বর্ণনাকারী হতে বর্ণিতঃ
রবী’আ ইবনু আবদুল্লাহ্ ইবনু হুদায়র (র) উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে সুক্ইয়া নামক জনপদে স্বীয় উটের উকুন বের করে কাদায় ফেলতে দেখেছেন, অথচ তিনি তখন ইহরাম অবস্থায় ছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) বলেন, আমি একে অপছন্দ করি।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭৮৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় রবী’আ ইবনু আবদুল্লাহ্ ইবনু হুদায়র (র) বলেন, তিনি উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে সুক্ইয়া নামক স্থানে নিজের উটের উকুন বের করে কাদায় ফেলতে দেখেছেন। তখন উমার (রা) ইহরাম অবস্থায় ছিলেন। এরপর ইমাম মালিক (র) বলেন, তিনি এ কাজ অপছন্দ করেন। এখানে ইহরামের সময় পশুর শরীরের উকুন বা পোকা বের করার বিষয়ে সতর্কতা দেখা যায়। হাদিসটি সরাসরি কোনো সাধারণ অনুমতির ঘোষণা নয়; বরং একটি ঘটনা এবং তার ওপর ইমাম মালিকের মন্তব্য। তাই ইহরামে উটের উকুন, মুহরিমের আদব এবং ইহরাম অবস্থায় প্রাণীর প্রতি আচরণ—এসব বিষয়ে এই বর্ণনা সতর্কভাবে বুঝতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইহরাম অবস্থায় পশুর পোকা বের করার বিষয়ে সতর্ক থাকা দরকার।
- উমার (রা)-এর একটি ঘটনা বর্ণিত হয়েছে, তবে ইমাম মালিক (র) তা অপছন্দ করেছেন।
- ইহরামের সময়ে ছোট কাজের ব্যাপারেও আলিমদের মত জানা জরুরি।
- বর্ণনার সীমা ছাড়িয়ে অতিরিক্ত দাবি করা উচিত নয়।
