৫৩/১৬. অধ্যায়ঃ
পৃথিবীতে জান্নাতী ও জাহান্নামী লোকদের পরিচয়
নবীজির ভাষণে ফিতরাত ও চরিত্রের শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ৭১০১
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৭১০১
حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرٍ الْعَبْدِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ هِشَامٍ، - صَاحِبِ الدَّسْتَوَائِيِّ - حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ عِيَاضِ بْنِ حِمَارٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَطَبَ ذَاتَ يَوْمٍ . وَسَاقَ الْحَدِيثَ وَقَالَ فِي آخِرِهِ قَالَ يَحْيَى قَالَ شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ قَالَ سَمِعْتُ مُطَرِّفًا فِي هَذَا الْحَدِيثِ .>
‘ইয়ায ইবনু হিমার হতে বর্ণিতঃ
একদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ভাষণ দিলেন। তারপর তিনি পুরো হাদীসটি বর্ণনা করলেন এবং শেষ ভাগে বলেছেন: কাতাদা (রহঃ) বলেন, আমি মুতারিফকে বলতে শুনেছি।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৯৪৫, ইসলামীক সেন্টারঃ ৭০০৩
সহীহ মুসলিম হাদিস ৭১০১-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, একদিন রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) ভাষণ দিলেন এবং পূর্বের হাদিসের বিষয়গুলো বর্ণনা করলেন। শেষে কাতাদা (রহঃ) মুতারিফ থেকে শোনার কথা উল্লেখ করেছেন। যদিও এই রেওয়ায়াত সংক্ষিপ্তভাবে এসেছে, তবু এটি ফিতরাতের বড় শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত। মূল হাদিসে আল্লাহর বান্দাদের একনিষ্ঠ করে সৃষ্টি করা, শয়তানের মাধ্যমে মানুষকে দ্বীন থেকে সরিয়ে দেওয়া, এবং ভালো-মন্দ চরিত্রের পরিণতি এসেছে। এখানে ভাষণের ধরনটিও গুরুত্বপূর্ণ; নবীজি মানুষকে শুধু তথ্য দেননি, বরং তাদের জীবন ঠিক করার জন্য সতর্ক করেছেন। তাই ফিতরাত সম্পর্কে হাদিস আমাদের শেখায়, ঈমানের স্বাভাবিক পথকে ধরে রাখতে হলে শয়তানের ধোঁকা, খিয়ানত, প্রতারণা ও অহংকার থেকে বাঁচতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজির ভাষণ মানুষের জীবন সংশোধনের জন্য ছিল।
- ফিতরাতের পথ ধরে রাখতে শয়তানের ধোঁকা থেকে সতর্ক থাকা দরকার।
- ভালো চরিত্র জান্নাতের পথে সহায়ক, খারাপ চরিত্র বিপদের কারণ।
