১৪/১৪. অধ্যায়ঃ
রমাযানের দিনে সওমরত অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা কঠোর হারাম, কেউ যদি এ ধরনের কাজ করে তবে তার উপর বড় ধরনের কাফ্ফারাহ্ ওয়াজিব- সে বিত্তশালী হোক বা বিত্তহীন, তবে বিত্তহীন ব্যক্তির পক্ষে যখন সম্ভব হয়, তখন এ কাফ্ফারাহ আদায় করতে হবে
রমজানে সহবাসের কাফফারা বিষয়ে অনুরূপ হাদিস
সহীহ মুসলিম : ২৪৮৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪৮৬
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٍ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . مِثْلَ رِوَايَةِ ابْنِ عُيَيْنَةَ وَقَالَ بِعَرَقٍ فِيهِ تَمْرٌ - وَهُوَ الزِّنْبِيلُ - وَلَمْ يَذْكُرْ فَضَحِكَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم حَتَّى بَدَتْ أَنْيَابُهُ .
মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম আয্ যুহরী (রাঃ)-এর সানাদে ইবনু ‘উয়ায়নাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসের মধ্যে بِعَرَقٍ فِيهِ تَمْرٌ এরপর وَهُوَ الزِّنْبِيلُ শব্দটি উল্লেখ রয়েছে এবং এতে নবী (ﷺ)-এর হাসির কথা উল্লেখ নেই।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৪৬৩, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৪৬২
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৮৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি আগের বর্ণনার অনুরূপ। এতে রমজানে সাওম অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সহবাসের ঘটনায় কাফফারার আলোচনা এসেছে। তবে এই বর্ণনায় খেজুরভরা টুকরির পর ব্যাখ্যা হিসেবে বলা হয়েছে, সেটি ছিল ঝুড়ি। আবার এখানে নবী صلى الله عليه وسلم-এর হাসির অংশটি উল্লেখ নেই। এই ধরনের পার্থক্য আমাদের শেখায়, একই ঘটনার একাধিক বর্ণনায় কখনো কিছু শব্দ বাড়তি বা কম থাকতে পারে, কিন্তু মূল শিক্ষা একই থাকে। মূল বিষয় হলো—রমজানে সাওম ভঙ্গের কাফফারা, ধাপে ধাপে সক্ষমতা দেখা, এবং প্রশ্নকারীর বাস্তব অবস্থার দিকে নজর। যারা রোজার কাফফারা, রমজানে সহবাস, ষাট মিসকিন খাওয়ানো বা দুই মাস সাওম—এসব বিষয়ে জানতে চান, তাদের জন্য এই বর্ণনা আগের হাদিসকে আরও পরিষ্কার করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই ঘটনার বর্ণনায় শব্দের সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে।
- রমজানে সাওম অবস্থায় সহবাসের জন্য কাফফারার বিষয় এসেছে।
- কাফফারায় মানুষের সক্ষমতা বিবেচনার ধাপ বর্ণিত হয়েছে।
- হাদিস বুঝতে অনুরূপ বর্ণনাগুলো একসাথে দেখা সহায়ক।
