১/৬০. অধ্যায়ঃ
ঈমান সম্পর্কে ওয়াস্ওয়াসার সৃষ্টি হওয়া এবং কারো অন্তরে যদি তা সৃষ্টি হয় তবে সে কি বলবে?
শয়তানের প্রশ্ন এলে আল্লাহ ও রসূলদের প্রতি ঈমান
সহিহ মুসলিম : ২৪২
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪২
وَحَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ، حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ الْمُؤَدِّبُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " يَأْتِي الشَّيْطَانُ أَحَدَكُمْ فَيَقُولُ مَنْ خَلَقَ السَّمَاءَ مَنْ خَلَقَ الأَرْضَ فَيَقُولُ اللَّهُ " . ثُمَّ ذَكَرَ بِمِثْلِهِ وَزَادَ " وَرُسُلِهِ " .
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) –এর সূত্রে উক্ত সানাদে হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, শয়তান তোমাদের নিকট এসে বলে, আকাশ কে সৃষ্টি করেছেন? জমিন কে সৃষ্টি করেছেন? উত্তরে সে বলে, আল্লাহ। এরপর রাবী পূর্ব হাদীসটির অনুরূপ এ হাদীসটি বর্ণনা করেন। তবে তিনি এর সঙ্গে وَرُسُلِهِ শব্দটি বর্ধিত বর্ণনা করেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৪৪, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৫২
সহিহ মুসলিম হাদিস ২৪২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, শয়তান মানুষের কাছে এসে প্রশ্ন করতে পারে: আকাশ কে সৃষ্টি করেছেন? জমিন কে সৃষ্টি করেছেন? মানুষ উত্তর দেয়, আল্লাহ। এরপর রাবী পূর্বের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন এবং এখানে রসূলদের প্রতি বিশ্বাসের শব্দও বাড়তি এসেছে। মূল শিক্ষা হলো, শয়তান মানুষকে প্রশ্নের ধারা দিয়ে এমন জায়গায় নিতে চায়, যেখানে তার মনে বিভ্রান্তি জন্মায়। কিন্তু মুমিনের পথ হলো আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস এবং তাঁর রসূলদের প্রতি ঈমান ধরে রাখা। এই হাদিসে জটিল তর্ক নয়, বরং ঈমানের দিকে ফিরে আসার শিক্ষা পাওয়া যায়। তাই ওয়াসওয়াসা এলে নিজের বিশ্বাসকে স্মরণ করা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শয়তান প্রশ্নের মাধ্যমে মানুষের মনে বিভ্রান্তি আনতে পারে।
- আকাশ ও জমিনের স্রষ্টা আল্লাহ—এই বিশ্বাস দৃঢ় রাখা দরকার।
- আল্লাহ ও তাঁর রসূলদের প্রতি ঈমানের কথা এখানে এসেছে।
- ওয়াসওয়াসা এলে ঈমানের দিকে ফিরে আসা উচিত।
