১৪/২. অধ্যায়ঃ
চাঁদ দেখে সিয়াম পালন করা, চাঁদ দেখে ইফতার করা এবং মাসের প্রথম বা শেষ দিন মেঘাছন্ন থাকলে ত্রিশ দিনে মাস পুরা করা।
মেঘাচ্ছন্ন আকাশে মাস গণনার নিয়ম
সহীহ মুসলিম : ২৩৯০
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৩৯০
وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ " فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَاقْدِرُوا ثَلاَثِينَ " . نَحْوَ حَدِيثِ أَبِي أُسَامَةَ .
‘উবায়দুল্লাহ (রাঃ) থেকে এ সূত্র হতে বর্ণিতঃ
আবূ উসামা বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এতে আছেঃ মাস এরূপ, এরূপ এবং এরূপ। তিনি আরো বলেন, যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে তাহলে ত্রিশ দিন পূর্ণ কর। হাদীসটি আবূ উসামা কর্তৃক বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৩৬৭, ইসলামীক সেন্টারঃ ২৩৬৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৩৯০-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনাটি আগের বর্ণনার অনুরূপ। এতে বিশেষভাবে এসেছে—মাস এরূপ, এরূপ এবং এরূপ; আর যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে, তাহলে ত্রিশ দিন পূর্ণ করো। এখানে রমজানের চাঁদ দেখা এবং মাস গণনার নিয়ম আবারও পরিষ্কার করা হয়েছে। চাঁদ দেখা গেলে তার ভিত্তিতে সিয়াম শুরু বা শেষ করা হবে। কিন্তু আকাশ মেঘে ঢাকা থাকলে মানুষ যেন অনুমান করে সিদ্ধান্ত না নেয়; বরং মাস পূর্ণ করার পথ গ্রহণ করে। এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, ইসলামে রোজার সময় নির্ধারণে সহজতা আছে, কিন্তু তা নিয়মবিহীন নয়। মেঘাচ্ছন্ন আকাশ, চাঁদ দেখা, রমজান মাস এবং ত্রিশ দিন পূর্ণ করা—এসব বিষয় এখানে সরাসরি যুক্ত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- চাঁদ দেখা না গেলে তাড়াহুড়া করে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়।
- মেঘাচ্ছন্ন অবস্থায় মাস ত্রিশ দিন পূর্ণ করার নির্দেশ আছে।
- রমজান ও ঈদের সময় নির্ধারণে নিয়ম মানা জরুরি।
