১৫/৩৯. অধ্যায়ঃ
উমরার ও তাওয়াফে এবং হজ্জের প্রথম তাওয়াফে রমল করা মুস্তাহাব।
তাওয়াফ ও সাঈতে দ্রুত চলা: শক্তি দেখানোর নববী শিক্ষা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৭৯৬
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৭৯৬
حديث ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: إِنَّمَا سَعَى رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، بِالْبَيْتِ وَبَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ لِيُرِيَ الْمُشْرِكِينَ قُوَّتَهُ
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) মুশরিকদেরকে নিজ শক্তি প্রদর্শনের উদ্দেশে বাইতুল্লাহর তাওয়াফে ও সাফা ও মারওয়ার মধ্যেকার সা‘ঈতে দ্রুত চলেছিলেন।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ২৫ : হাজ্জ, অধ্যায় ৮০, হাঃ ১৬৪৯; মুসলিম, পর্ব ১৫ : হাজ্জ, অধ্যায় ৩৯, হাঃ ১২৬৬
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৭৯৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বাইতুল্লাহর তাওয়াফে এবং সাফা-মারওয়ার মাঝের সাঈতে দ্রুত চলেছিলেন, যাতে মুশরিকদের কাছে মুসলিমদের শক্তি প্রকাশ পায়। হাদিসের মূল কথা এতটুকুই: এই দ্রুত চলার একটি উদ্দেশ্য ছিল শক্তি দেখানো। তাই তাওয়াফে রামল এবং সাঈতে দ্রুত চলা নিয়ে আলোচনা করলে এই উদ্দেশ্যটি মনে রাখা দরকার। তবে হাদিসে অন্য কোনো সাধারণ দাবি বা আলাদা ফজিলত বলা হয়নি। এটি আমাদের শেখায়, ইবাদতের মধ্যে কখনো কখনো বাস্তব অবস্থার জবাব দেওয়ার দিকও থাকতে পারে, যদি তা নবীজির নির্দেশে হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তাওয়াফ ও সাঈতে দ্রুত চলার একটি উদ্দেশ্য ছিল শক্তি প্রদর্শন।
- মুশরিকদের সামনে মুসলিমদের দুর্বল ভাবা ভুল প্রমাণ করা হয়েছে।
- রামল ও সাঈর আমল হাদিসভিত্তিকভাবে বুঝতে হয়।
- ইবাদতের পদ্ধতি নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল থেকে শেখা দরকার।
