১৩/১. অধ্যায়ঃ
রমাযান মাসের ফাযায়েল।
রমাযানের ফজিলত: আসমানের দরজা খোলা ও শয়তান শিকলবন্দী
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৬৫২
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৬৫২
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِذَا دَخَلَ شَهْرُ رَمَضَانَ فتِّحَتْ أَبْوَابُ السَّمَاءِ وَغُلِّقَتْ أَبْوَابُ جَهَنَّمَ، وَسُلْسِلَتِ الشَّيَاطيِنُ
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ রমাযান আসলে আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানগুলোকে শিকলবন্দী করে দেয়া হয়।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৩০; সওম, অধ্যায় ৫, হাঃ ১৮৯৯; মুসলিম, পর্ব ১৩: সওম, অধ্যায় ১, হাঃ ১০৭৯
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৬৫২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم রমাযান মাসের বিশেষ মর্যাদার কথা বলেছেন। রমাযান এলে আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানগুলোকে শিকলবন্দী করা হয়। হাদিসের ভাষা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, রমাযান সাধারণ সময়ের মতো নয়; এটি ইবাদত, তাওবা, সিয়াম এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসার বড় সুযোগ। এখানে সরাসরি যে বিষয়গুলো বলা হয়েছে, সেগুলো হলো দরজা খোলা, জাহান্নামের দরজা বন্ধ এবং শয়তানের বাঁধা। তাই মুসলিমের উচিত রমাযান মাসকে হালকা করে না নেওয়া। এই মাসে নিজের সালাত, কুরআন, দোয়া ও ভালো কাজের দিকে মন দেওয়া দরকার। তবে হাদিস থেকে অতিরঞ্জিত দাবি করা ঠিক নয়; বরং বলা যায়, রমাযান আল্লাহর রহমত লাভের বিশেষ সময়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমাযান মাস আল্লাহর দিকে ফিরে আসার বড় সুযোগ।
- এই মাসে সিয়াম, কুরআন ও ভালো কাজে মন দেওয়া উচিত।
- জাহান্নামের দরজা বন্ধ হওয়ার কথা হাদিসে এসেছে।
- শয়তান শিকলবন্দী হওয়ার কথা রমাযানের গুরুত্ব বোঝায়।
