০/১. অধ্যায়ঃ

আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর প্রতি মিথ্যারোপের প্রতি কঠোর হুশিয়ারি

রাসূলের নামে মিথ্যারোপ: কেন এটি এত গুরুতর সতর্কতা

আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৪

حَدِيْثُ الْمُغِيرَةِ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ إِنَّ كَذِبًا عَلَيَّ لَيْسَ كَكَذِبٍ عَلَى أَحَدٍ مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنْ النَّارِ

মুগীরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, আমার প্রতি মিথ্যারোপ করা অন্য কারো প্রতি মিথ্যারোপ করার মত নয়। যে ব্যক্তি আমার প্রতি মিথ্যারোপ করে সে যেন অবশ্যই তার ঠিকানা জাহান্নামে করে নেয়।

সহীহুল বুখারী, পর্ব ২৩: জানাযা, অধ্যায় ৩৪, হাঃ ১২৯১; মুসলিম মুকাদ্দামাহ, হাঃ ৯৩৩

আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৪-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) পরিষ্কারভাবে বলেছেন, তাঁর প্রতি মিথ্যারোপ করা অন্য কারো প্রতি মিথ্যারোপ করার মতো নয়। অর্থাৎ রাসূল (صلى الله عليه وسلم)-এর নামে মিথ্যা কথা বলা দ্বীনের নামে ভুল কথা ছড়ানোর দরজা খুলে দিতে পারে। তাই হাদিসে বলা হয়েছে, যে তাঁর প্রতি ইচ্ছাকৃত মিথ্যারোপ করে, সে যেন অবশ্যই তার ঠিকানা জাহান্নামে করে নেয়। এখানে মূল শিক্ষা হলো হাদিস বর্ণনায় ভয়, সতর্কতা এবং সত্যের প্রতি অটল থাকা। কোনো কথা রাসূল (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন কি না, তা না জেনে তাঁর নামে বলা যাবে না। সুন্দর শোনালেও, রাসূলের নামে বানানো কথা বলা নিরাপদ নয়। তাই মুখের কথা, লেখা, বক্তৃতা—সব জায়গায় রাসূলের নামে কথা বলার আগে থামা দরকার। এই থামাটাই হাদিসের প্রতি সম্মানের অংশ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • রাসূল (صلى الله عليه وسلم)-এর নামে মিথ্যা বলা সাধারণ মিথ্যার মতো নয়।
  • ইচ্ছাকৃত মিথ্যারোপের জন্য কঠিন সতর্কতা এসেছে।
  • হাদিস বর্ণনায় সত্যতা রক্ষা করা জরুরি।
  • দ্বীনের কথা বলার সময় নিজের ধারণা রাসূলের নামে চালানো যাবে না।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন