৫৪/০. অধ্যায়ঃ
তাফসীর
ওহী অবতীর্ণের ধারা: নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর শেষ সময়ের গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনা
আল লু'লু ওয়াল মারজান : ১৮৯৪
আল লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৮৯৪
حديث أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، أَنَّ اللهَ تَعَالَى تَابَعَ عَلَى رَسُولِهِ، قَبْلَ وَفَاتِهِ حَتَّى تَوَفَّاهُ أَكْثَرَ مَا كَانَ الْوَحْيُ ثُمَّ تُوُفِّيَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، بَعْدُ
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহ তা‘আলা নবী (ﷺ)-এর প্রতি ক্রমাগত ওয়াহী অবতীর্ণ করতে থাকেন এবং তাঁর ইন্তিকালের নিকটবর্তী সময়ে আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর প্রতি সবচেয়ে বেশি পরিমাণ ওয়াহী অবতীর্ণ করেন। এরপর তাঁর ওফাত হয়।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬৬; আল-কুরআনের ফাযীলাতসমূহ, অধ্যায় ১, হাঃ ৪৯৮২; মুসলিম, পর্ব ৫৪; তাফসীর, হাঃ ৩০১৬ ৩
আল লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৮৯৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো ওহী অবতীর্ণ। আনাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, আল্লাহ তা‘আলা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর প্রতি ক্রমাগত ওহী অবতীর্ণ করতে থাকেন। তাঁর ইন্তিকালের নিকটবর্তী সময়ে ওহী সবচেয়ে বেশি পরিমাণে অবতীর্ণ হয়। এরপর রাসূলুল্লাহ্ (صلى الله عليه وسلم)-এর ওফাত হয়। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু কুরআন নাযিলের ধারা বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এখানে কোনো অতিরিক্ত ঘটনা বলা হয়নি; শুধু ওহী নাযিলের পরিমাণ ও সময়ের কথা এসেছে। মুমিনের জন্য এই হাদিসে কুরআনের মর্যাদা ও নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর জীবনের শেষ সময়ের গুরুত্ব বোঝার শিক্ষা আছে। ওহী আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা নির্দেশ, আর নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর জীবন সেই নির্দেশ পৌঁছে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত ছিল। তাই কুরআনের প্রতি শ্রদ্ধা ও মনোযোগ রাখা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ওহী আল্লাহর পক্ষ থেকে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে অবতীর্ণ হয়েছে।
- নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর শেষ সময়ে ওহী নাযিলের পরিমাণ বেশি ছিল।
- কুরআনের মর্যাদা ও গুরুত্ব গভীরভাবে বোঝা উচিত।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকেও বড় শিক্ষা পাওয়া যায়।
