৪৩/৪০. অধ্যায়ঃ
ঈসা (আঃ)-এর মর্যাদা।
ঈসা (আ.) ও মুহাম্মাদ (صلى الله عليه وسلم): নবীদের ভ্রাতৃত্বের শিক্ষা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৫২৬
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৫২৬
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: أَنَا أَوْلَى النَّاسِ بِابْنِ مَرْيَمَ، وَالأَنْبِيَاءُ أَوْلاَدُ عَلاَّتٍ، لَيْسَ بَيْنِي وَبَيْنَهُ نَبِيٌّ
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, আমি মারিয়ামের পুত্র ‘ঈসার অধিক ঘনিষ্ঠ। আর নবীগণ পরস্পর আল্লাতী ভাই। আমার ও তার মাঝখানে কোন নবী নেই।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৬০: নাবীগণের (আঃ) হাদীসসমূহ, অধ্যায় ৪৮, হাঃ ৩৪৪২; মুসলিম, পর্ব ৪৩: ফাযায়েল, অধ্যায় ৪০, হাঃ ২৩৬৫
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৫২৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের কোর টপিক হলো নবীদের ভ্রাতৃত্ব। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তিনি মারইয়ামের পুত্র ঈসা (আ.)-এর অধিক ঘনিষ্ঠ। তিনি আরও বলেন, নবীগণ পরস্পর আল্লাতী ভাই, আর তাঁর ও ঈসা (আ.)-এর মাঝখানে কোনো নবী নেই। এই বর্ণনায় দুইটি বিষয় স্পষ্ট: এক, ঈসা (আ.)-এর মর্যাদা ইসলামে গুরুত্বপূর্ণ; দুই, নবীদের দাওয়াতের মূল ধারা এক আল্লাহর দিকে। হাদিসটি নবীদের মধ্যে সম্মান, সম্পর্ক ও ধারাবাহিকতার কথা বলে। এখানে কোনো বাড়তি গল্প যোগ করার দরকার নেই; সরাসরি বক্তব্যই যথেষ্ট পরিষ্কার। নবীদের ভ্রাতৃত্ব, ঈসা (আ.) এবং রাসূল (صلى الله عليه وسلم)-এর ঘনিষ্ঠতা—এই তিনটি বিষয় বাংলা পাঠকের জন্য হাদিসের প্রধান শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইসলামে ঈসা (আ.)-এর মর্যাদা স্পষ্টভাবে স্বীকৃত।
- মুহাম্মাদ (صلى الله عليه وسلم) ও ঈসা (আ.)-এর মাঝে কোনো নবী নেই।
- নবীগণের মধ্যে সম্পর্ক সম্মান ও একত্বের দাওয়াতের সাথে যুক্ত।
- নবীদের ব্যাপারে কথা বলার সময় শ্রদ্ধা রাখা দরকার।
