১/৮৪. অধ্যায়ঃ
নবী (ﷺ)-এর গোপনীয় বিশেষ প্রার্থনা যা হবে তাঁর উম্মতের জন্য শাফাআত কামনা।
কিয়ামতের দিনের শাফাআত ও নবীজির বিশেষ দুআ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১২২
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১২২
حديث أَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: كُلُّ نَبِيٍّ سَأَلَ سُؤَالاً أَوْ قَالَ لِكُلِّ نَبِيٍّ دَعْوةٌ قَد دَعَا بِهَا فَاسْتُجِيبَتْ، فَجَعَلْتُ دَعْوَتِي شَفَاعَةً لأُمَّتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন যে, প্রত্যেক নবীই যা চাওয়ার তা তিনি চেয়ে নিয়েছেন। অথবা নবী (ﷺ) বলেছেনঃ প্রত্যেক নবীকে যে দু‘আর অধিকার দেয়া হয়েছিল তিনি সে দু‘আ করে নিয়েছেন এবং তা কবূলও হয়ে গিয়েছে। কিন্তু আমি আমার দু‘আকে ক্বিয়ামাতের দিনে আমার উম্মাতের শাফা‘আতের জন্য রেখে দিয়েছি।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৮১: সদয় হওয়া, অধ্যায় ১, হাঃ ৬৩০৫; মুসলিম, পর্ব ১: ঈমান, অধ্যায় ৮৬, হাঃ ২০০
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১২২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, প্রত্যেক নবী তাঁর বিশেষ দুআ করে নিয়েছেন এবং তা কবুল হয়েছে। কিন্তু আমাদের নবী মুহাম্মাদ (صلى الله عليه وسلم) তাঁর দুআকে কিয়ামতের দিনে উম্মতের শাফাআতের জন্য রেখে দিয়েছেন। এই কথাটি শাফাআত বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়। নবীজি দুনিয়ার কোনো তাৎক্ষণিক চাওয়ার জন্য সেই বিশেষ দুআ ব্যবহার করেননি; বরং উম্মতের শেষ পরিণতির জন্য তা সংরক্ষণ করেছেন। এতে তাঁর উম্মতের প্রতি গভীর দয়া প্রকাশ পায়। তবে হাদিসটি আমাদের দায়িত্ব ভুলিয়ে দেয় না। শাফাআতের আশা রাখতে হলে ঈমান ও আল্লাহর পথে থাকার চেষ্টা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজির বিশেষ দুআ উম্মতের শাফাআতের জন্য রাখা হয়েছে।
- শাফাআত কিয়ামতের দিনের বড় আশার বিষয়।
- নবীজির উম্মতের প্রতি দয়া এই হাদিসে স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
